রোজ রোজ হাজার বার আঘাতে আঘাতে ভেঙে যায় হৃদয়। মানুষের শত আঘাত ভীষণ কষ্ট দেয় মনে । বিনা দোষে কত মানুষ দোষী সাজায় আমারে। মিথ্যে অপমান, মিথ্যে ভাষায় অপবাদ সব
মস্তিষ্কে যেন এক অসুখ বেঁধেছে আজ,অবাক হয়ে চমকে উঠে মস্তিষ্কে শত কাজ।শুনে না কথা,মানে না শাসন বারণ,কিচ্ছু বুঝে না,মস্তিষ্কে বেঁধেছে অসুখ ভাবে শুধু অযথা ভাবনা। অবুঝের মতো চিন্তা তার মস্তিষ্কের
“অণু”আবার আমাদের দেখা হোক ডিসেম্বরে।তুমি সেই আগের মতো ২৭ কিংবা ২৮ তারিখে,চলে আসবে নবেম্বরে।। “অণু”তোমার মনে আছে? ডিসেম্বরের শেষে,আমাদের প্রথম দেখা হয়েছিল?এক ফুল বিক্রেতা আমাদের দম্পতি বলেছিল।। “অণু”তুমি কী সেই
কি জানি কয়—‘সে রামও নাই,সে অযোধ্যারও অবলুপ্তি’ হইছে।স্বাধীনতাই নাই তোতার আবার স্বাধীনতার দিবস !কি যে কন্ দা’ঠাকুর—প্যাটে আছে ক্ষুধার জ্বালা,পোলাপান গুলানতাপরায় প্যাট পুরণের তরে।আর আমাগো কতা ?ছাড়ান দ্যান।পরনে ছেঁড়া ত্যানা,এপাশ
আজ আর আমার কিছু মনে নেইকিছু মনেও থাকে না।কিছু দিন হয়-হর-হামেশাই ভূলে যাই,কাউকে দেয়া কথাকিংবা কারো আবদার।হর-হামেশাই ভূলে যাইঅতীতের অসমাপ্ত কর্মকিংবা আগামী দিনের কর্তব্য।ইদানিং মনে হয়-উদ্বাস্তু মানুষের মতোমনের অজান্তে প্রতিমূহুর্তেপথ
মনের ভাষা মরে না যায়তাই হাতে নিলাম কলম,কথাগুলো উড়বে না তাইবসালাম খাতায় বর্ণসম। ভাষা আমার জুড়ে না স্থানতাই লিখে লিখে রাখি,কথাগুলো ভাবনায় মধুরযেন এক ডানা কাঁটা পাখি। আঁখি আমার না
ছোটবেলায় একজন আমার হাত দেখে,চমকে উঠে বলেছিল,ওমা… একি! এই মেয়ের তো দেখছি অল্প বয়সেই “বৈধব্যযোগ” আছে! আমি ছোটো, তাই “বৈধব্য” শব্দটি বুঝতে পারিনি৷ কিন্তু যখন বড় হলাম, “বৈধব্য” শব্দটির অর্থ
আজ এই পৃথিবীটা নীরব,সব যেন রয়েছে চুপচাপকেবল বাতাস পাতায় পাতায়,বিলাপ করে যাচ্ছে অবিরতআর একজন কিশোর কবিতার হৃদয়ের সমস্ত বেদনার বানীএকের পর এক লিখে যাচ্ছেকোন এক কষ্টের কবিতায়।গভীর রাতে পড়ার টেবিলে
একলা মনে বসে আছি হাতে কলম নিয়েলিখবো লিখবো ভবতেছি পাচ্ছি না তো খোঁজে।শূন্য মন, শূন্য প্রেম,শূন্য খাতাখানীভাবছি আর ভাবছি তবু লিখতে পারি না জানি। হঠাৎ দেখি বহিছে হাওয়া আমার কানের
ছোট্ট একটি গ্রামের মেয়ে অমৃতা রায়। বাবা মায়ের দ্বিতীয় সন্তান অমৃতা। পরিবার ছোট দুই বোন আর বাবা মা খুব সুখী ওরা। অমৃতার দিদির বিয়ে হয়ে শ্বশুরবাড়ি সুখে শান্তিতে সংসার করছে।