সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে আসছেন ভারতের লোকসভার স্পিকার ভোট পুনর্গণনা ও আব্বাসের শপথ বিরত রাখার আবেদন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ছায়া মন্ত্রিসভা: কী, কেন, কীভাবে উপদেষ্টাদের সেফ এক্সিট নেয়ার আগে সম্পদের হিসাব চাইলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ৩২ আসনে ভোট পুনর্গণনার দাবি জানাল ১১ দলীয় জোট দরপতনের পর বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আবারও ৫ হাজার ডলার ছাড়াল নতুন সরকার গঠনের আগেই শেয়ারবাজার চাঙ্গা রামপুরা হত্যাকাণ্ডে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার রায় ৪ মার্চ মাদুরোকে আটকের অভিযানে যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি ব্যবহার করেছিল যুক্তরাষ্ট্র স্বাস্থ্যের অবনতির খবরে উদ্বেগ, হাসপাতালে নেয়া হচ্ছে ইমরান খানকে

ঘুম থেকে উঠার পর বমি পায়, ভয়াবহ রোগের ইঙ্গিত নয় তো

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১ বার
ঘুম থেকে উঠার পর বমি পায়, ভয়াবহ রোগের ইঙ্গিত নয় তো?

সকালে ঘুম থেকে উঠার পর অনেকেরই বমি বমি ভাব বা বমি হয়ে থাকে। এ ধরনের সমস্যাকে কেউ কেউ মনে করেন যে, না খেয়ে থাকার কারণে হয়তো এমন হচ্ছে। আবার কেউ বিষয়টি গ্যাসট্রিকের সমস্যা ভেবে এড়িয়ে যান। যা একদমই ঠিক নয়।
এসব সমস্যা যদি নিয়মিত হতে থাকে, তাহলে শরীরের ভেতরের কোনো অস্বস্তির ইঙ্গিত হতে পারে। চিকিৎসকদের মতে―একাধিক শারীরিক সমস্যার কারণে সকালে বমি হতে পারে। রাতভর দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার কারণে পেট প্রায় খালি থাকে। এ অবস্থায় পাকস্থলীতে অ্যাসিড নিঃসরণ থেমে থাকে না। খালি পেটে অতিরিক্ত অ্যাসিড জমা হলে তখন সকালে ঘুম থেকে উঠার পর বমি বমি ভাব, বুক জ্বালা বা বমির অনুভূতি হয়ে থাকে।
এছাড়া যাদের আগে থেকেই অ্যাসিড রিফ্লাক্স বা গ্যাসট্রিকের সমস্যা রয়েছে, তাদের এ ধরনের সমস্যা বেশি দেখা যায়। ঘুম থেকে উঠার পর যদি হঠাৎ উঠে বসা হয় বা ঝুঁকে পড়া হয়, তাহলে অ্যাসিড উপরে উঠে এসে অস্বস্তি বাড়াতে পারে। এ ব্যাপারে ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যম একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সেখান থেকে তাহলে জেনে নেয়া যাক-
ডিহাইড্রেশনের সমস্যা: ডিহাইড্রেশন বা শরীরে পানির ঘাটতি থাকলেও সকালে বমি পেতে পারে। রাতে ঘুমের সময় দীর্ঘক্ষণ পানি পান না করার কারণে শরীর পানিশূন্য হয়। এ কারণে মাথা ঘোরা, দুর্বল লাগা ও বমি ভাব দেখা দিয়ে থাকে। বিশেষ করে যদি আগের দিন পানি পানের পরিমাণ খুবই কম হয় কিংবা অতিরিক্ত চা-কফি পান করা হয়, তাহলে পরদিন সকালে এই সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
সকালে বমি পাওয়ার আরও কারণ রয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে হরমোনের পরিবর্তন। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থার প্রথম দিকে অনেক নারীর মর্নিং সিকনেস হয়। এর অন্যতম লক্ষণ হচ্ছে সকালের দিকে বমি ভাব। এ সময় শরীরে এইচসিজি হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে থাকে, যা নারীর পাকস্থলী ও মস্তিষ্কের মধ্যে যোগাযোগে প্রভাব ফেলে থাকে। কেবল অন্তঃসত্ত্বা অবস্থা নয় শুধু, থাইরয়েডের সমস্যা বা হরমোনাল ভারসাম্যহীনতাও সকালে বমি পাওয়ার কারণ হতে পারে।
এছাড়া ঘুমের মানও ভূমিকা রাখে সকালে বমি পাওয়ার ক্ষেত্রে। যদি বেশি রাত জাগা হয় বা দেরিতে ঘুমানো হয়, অপর্যাপ্ত ঘুম বা অনিয়মিত স্লিপ সাইকেলের জন্য শরীর যথেষ্ট বিশ্রাম না পেলেও সকালে বমি পায়। কারণ, এসবের প্রভাব হজমতন্ত্র আর স্নায়ুতন্ত্রে পড়ে। এ জন্য সকালে ঘুম থেকে উঠার পর শরীর ঠিকঠাকমত সাড়া না দিলে বমি পাওয়ার অনুভূতি মনে হতে পারে। আবার দীর্ঘদিন মানসিক চাপ বা উদ্বেগের মধ্যে থাকা হলেও সকালে এ ধরনের সমস্যা হতে পারে।
এসব সমস্যা থেকে সাময়িক স্বস্তি পাওয়ার জন্য সকালে ঘুম থেকে উঠার পর প্রথমেই সামান্য উষ্ণ গরম পানি পান করা জরুরি। একদম খালি পেটে বেশি ঝাল বা ভারী খাবার খাওয়ার অভ্যাস থাকলে তা বাদ দিতে হবে। সকালে হালকা কিছু খেয়ে দিন শুরু করা উচিত। রাতে ঘুমানোর অন্তত দুই ঘণ্টা আগে খাবার খেতে হবে এবং তেল-মশলাযুক্ত খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে। পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করে শরীরে তারল্যের ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে এবং যেকোনো সমস্যায় চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories