পানির সংকট মোকাবিলায় অত্যাধুনিক গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। দেশটির রেইন অ্যানহ্যান্সমেন্ট সায়েন্স গবেষণা কর্মসূচির আওতায় তিনটি আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রকল্পকে নির্বাচিত করা হয়েছে। প্রতিটি প্রকল্প আগামী তিন বছরে সর্বোচ্চ ১৫ লাখ ডলার (প্রায় ৫.৫ মিলিয়ন দিরহাম) অনুদান পাবে।
আবুধাবিভিত্তিক ন্যাশনাল সেন্টার অব মেটিওরোলজি (এনসিএম) জানিয়েছে, নির্বাচিত প্রকল্পগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ন্যানো-পার্টিকেল প্রযুক্তি এবং এমনকি ভূমির গঠন পরিবর্তনের মাধ্যমে বৃষ্টিপাত বাড়ানোর নতুন পথ অনুসন্ধান করবে।
নির্বাচিত তিন গবেষণার মধ্যে-যুক্তরাষ্ট্রের ড. ডিক্সন মাইকেল এআই ও আধুনিক রাডার ব্যবহার করে ক্লাউড সিডিং কতটা কার্যকর তা নির্ভুলভাবে বিশ্লেষণ করবেন।
অস্ট্রেলিয়ার অধ্যাপক লিন্ডা ঝৌ ন্যানো-প্রযুক্তি ব্যবহার করে নতুন ধরনের ক্লাউড সিডিং উপাদান তৈরি করবেন, যা মেঘে বরফকণা তৈরিতে আরও কার্যকর হবে।
জার্মানির ড. অলিভার ব্রাঞ্চ সবচেয়ে ভিন্নধর্মী গবেষণায় ভূমির আকৃতি ও ভূমি আচ্ছাদন পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রাকৃতিকভাবে বৃষ্টি সৃষ্টির সম্ভাবনা পরীক্ষা করবেন।
এনসিএমের প্রধান ও বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার সভাপতি ড. আবদুল্লাহ আল মানদুস বলেন, এই কর্মসূচি প্রমাণ করে যে ইউএই কেবল গবেষণার কথা বলে না, বাস্তব সম্পদ ও অবকাঠামো দিয়েও বৈজ্ঞানিক উদ্ভাবনকে সমর্থন করে।
প্রতিযোগিতাটি ছিল কঠিন-২০২৫ সালে জমা পড়া ১৪০টি প্রস্তাবের মধ্য থেকে শেষ পর্যন্ত মাত্র তিনটি প্রকল্প অনুদান পেয়েছে। ইউএই কর্তৃপক্ষ আশা করছে, এই গবেষণাগুলো ভবিষ্যতে দেশটির পানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে বাস্তব ও টেকসই সমাধান দিতে সক্ষম হবে।
Leave a Reply