মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
অভিনেত্রী স্নিগ্ধাকে মারধর ও হত্যাচেষ্টা’: আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন আশিয়ান চেয়ারম্যান নজরুল হালুয়াঘাট হাট-বাজার পরিস্কার -পরিচ্ছন্ন অভিযান শুরু হালুয়াঘাটে উল্টো রথ যাত্রার মধ্যদিয়ে শেষ হল জগন্নাথ দেবের রথ যাত্রা উৎসব বাধ্যতামূলক অবসরে ৩২ ডিসি স্বাধীন গণমাধ্যম নীতিমালা তৈরিতে সাংবাদিকদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী বাবার ইজিবাইকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঝরল মেয়ের প্রাণ মা হলেন মানসিক ভারসাম্যহীন নারী, মেলেনি বাবার পরিচয় ফরিদপুরে ভূমি কর্মকর্তার ‘ঘুষ’ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল বিএনপি সভাপতির বাড়িতে চুরি, খবর শুনেই স্ট্রোকে শাশুড়ির মৃত্যু হাসপাতালে ঢুকে আহত স্ত্রীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

অ্যাপলের নেতৃত্ব পরিবর্তন, ১৩ বছর পর সিইও পদ ছাড়ছেন টিম কুক

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩৯ বার

প্রযুক্তি দুনিয়ার অন্যতম বড় কোম্পানি অ্যাপলের নেতৃত্ব বড় পরিবর্তনের ঘোষণা এসেছে। সংস্থাটির দীর্ঘদিনের সিইও টিম কুক আগামী সেপ্টেম্বরে পদ ছাড়ছেন, তার জায়গায় দায়িত্ব নেবেন কোম্পানির অভিজ্ঞ নির্বাহী জন টারনাস। এই পরিবর্তন অ্যাপলের ভবিষ্যৎ কৌশল ও দিকনির্দেশনা নিয়ে নতুন করে আগ্রহ তৈরি করেছে।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা টিম কুক চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে পদ থেকে সরে দাঁড়াবেন বলে অ্যাপল সোমবার ঘোষণা দিয়েছে। আর তার স্থলাভিষিক্ত হবেন জন টারনাস। ৬৫ বছর বয়সী কুক জানিয়েছেন, সিইও পদ ছাড়ার পর তিনি কোম্পানির বোর্ডের নির্বাহী চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
এক বিবৃতিতে কুক বলেন, ‘অ্যাপলের সিইও হিসেবে দায়িত্ব পালন করা এবং এমন অসাধারণ একটি প্রতিষ্ঠানকে নেতৃত্ব দেয়ার সুযোগ পাওয়া আমার জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মান’।
১৯৯৮ সালে অ্যাপলে যোগ দেন টিম কুক। ধাপে ধাপে তিনি শীর্ষ পর্যায়ে উঠে আসেন এবং প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা হিসেবে আইফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহ ব্যবস্থাপনা পরিচালনায় ব্যাপক ভূমিকা রাখেন। ২০১১ সালে স্বাস্থ্যগত কারণে সহ-প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস দায়িত্ব ছাড়ার পর কুক সিইও হন। তার নেতৃত্বে অ্যাপল পণ্যের পরিধি বাড়িয়েছে এবং শেয়ারমূল্যের ভিত্তিতে কোম্পানির মূল্য প্রায় ৪ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
অ্যাপলের বিদায়ী চেয়ারম্যান আর্থার লেভিনসন বলেন, ‘টিমের অসাধারণ নেতৃত্ব অ্যাপলকে বিশ্বের সেরা কোম্পানিতে পরিণত করেছে। তার সততা ও মূল্যবোধ অ্যাপলের প্রতিটি কাজে প্রতিফলিত হয়’।
অন্যদিকে ২০০১ সালে অ্যাপলের প্রোডাক্ট ডিজাইন দলে যোগ দেন জন টারনাস। পরবর্তী দুই দশকে তিনি হার্ডওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট হন। অ্যাপলের দাবি অনুযায়ী, আইফোন, আইপ্যাড, অ্যাপল ওয়াচ এবং ম্যাক কম্পিউটারসহ বিভিন্ন পণ্য উন্নয়নে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
টারনাস বলেন, ‘অ্যাপলের লক্ষ্যকে সামনে এগিয়ে নেয়ার সুযোগ পেয়ে আমি কৃতজ্ঞ। প্রায় পুরো কর্মজীবনই এখানে কাটিয়েছি, স্টিভ জবসের অধীনে কাজ করেছি এবং টিম কুককে মেন্টর হিসেবে পেয়েছি।
চলতি বছর অ্যাপল তাদের ৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করছে। একই সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে সিলিকন ভ্যালির এই প্রতিষ্ঠান। স্টিভ জবস এবং স্টিভ ওজনিয়াক ইন্টারনেট যুগে প্রযুক্তি ব্যবহারের ধরণে বড় পরিবর্তন আনেন। কলেজ ড্রপআউট এই দুই উদ্যোক্তা কম্পিউটার ব্যবহার, গান শোনা এবং চলার পথে যোগাযোগের পদ্ধতি বদলে দেন।
ম্যাক, আইফোন, অ্যাপল ওয়াচ ও আইপ্যাড— অ্যাপলের এসব জনপ্রিয় পণ্য এখনও ব্যবহারকারীদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে। ১৯৭৬ সালের ১ এপ্রিল ক্যালিফোর্নিয়ার কুপার্টিনোতে স্টিভ জবসের গ্যারেজে শুরু হওয়া এই প্রতিষ্ঠানের যাত্রা আজ বিশ্বজুড়ে বিস্তৃত।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories