বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রাবিতে ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে বহিরাগত নিয়ে শিক্ষার্থীকে ছুরিকাঘাতের অভিযোগ এমবাপ্পে ও ভিনিসিয়ুসে ৪ ম্যাচ পর জয়ের দেখা পেল রিয়াল বিএনপিকে লাল সালাম দিলেন ন্যান্সি অ্যাপলের নেতৃত্বে নতুন মুখ ৫ দিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ নোবিপ্রবির সাবেক শিক্ষার্থী বৃষ্টি আমি কখনোই সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন চাইনি: আফরোজা আব্বাস যুক্তরাষ্ট্র নিশ্চিত করবে ইরান পারমাণবিক অস্ত্র সক্ষম হবে না: ট্রাম্প বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা গ্রহণযোগ্য কি না, স্পষ্ট করল ইরান পুলিশের পোশাকে ফের পরিবর্তন, ফিরছে গাঢ় নীল-অলিভ রং আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা: আপিল শুনানি ২৮ এপ্রিল

৩৭টি ডাইমেনশনে বিচরণে সক্ষম আলোককণার সন্ধান

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ৫ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২৪ বার
৩৭টি ডাইমেনশনে বিচরণে সক্ষম আলোককণার সন্ধান

কোয়ান্টাম বিজ্ঞানের এক অদ্ভুত জগতের দেখা পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এতে এমন সব তথ্য মিলছে, যা বলছে বিজ্ঞানমনস্কদের ভ্রু কুঁচকে দেয়ার জন্য যথেষ্ট। এই যেমন সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা এমন একটি আলোককণা বা ফোটন খুঁজে পেয়েছেন, যা একই সঙ্গে ৩৭টি ভিন্নমাত্রায় বা ডাইমেনশনে বিচরণ করতে সক্ষম। সাধারণ পদার্থবিজ্ঞানের ধারণার চেয়েও কোয়ান্টাম জগৎ যে কতটা বিচিত্র হতে পারে, তা আবারও প্রমাণিত হলো।
সম্প্রতি সায়েন্স অ্যাডভান্সেস সাময়িকীতে এ গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। গবেষণার মূল ভিত্তি ছিল, ১৯৮৯ সালে পদার্থবিদ গ্রিন বার্জার, হর্ন ও জেইলিঙ্গার বর্ণিত জিএইচজেড প্যারাডক্স। সাধারণ পদার্থবিজ্ঞান বা ক্ল্যাসিক্যাল ফিজিকস অনুযায়ী, কোনো বস্তু কেবল তার চারপাশের পরিবেশ দ্বারা প্রভাবিত হয়। একে লোকাল থিওরি বলে।
তবে কোয়ান্টাম জগতের নিয়ম সম্পূর্ণ আলাদা। কোয়ান্টাম নন-লোকালিটির কারণে বহু দূরে থাকা দুটি কণা একে অপরের অবস্থা নির্ধারণ করতে পারে। জিএইচজেড প্যারাডক্স মূলত গাণিতিকভাবে প্রমাণ করে, কোয়ান্টাম থিওরিকে সাধারণ বাস্তবসম্মত বর্ণনা দিয়ে ব্যাখ্যা করা অসম্ভব। কিছু ক্ষেত্রে এই প্যারাডক্স এমন গাণিতিক অসম্ভাব্যতা তৈরি করে, যেখানে ১ সমান -১ হয়ে যায়।
এই প্যারাডক্সের পারদ কতটা চড়তে পারে, টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি অব ডেনমার্কের বিজ্ঞানী ঝেংহাও লিউ ও তার দল সেটা পরীক্ষা করতেই দিনরাত এক করছেন। তারা আলোককণা বা ফোটনকে এমনভাবে তৈরি করেছেন, যা ৩৭টি ভিন্ন রেফারেন্স পয়েন্ট বা ডাইমেনশনে অবস্থান করে। আমরা সাধারণত দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতার মতো তিন মাত্রা ও সময়ের একটি মাত্রা মিলিয়ে চার মাত্রার জগতে বাস করি। কিন্তু এই পরীক্ষায় তৈরি ফোটনের অস্তিত্ব বজায় রাখতে ৩৭টি মাত্রার প্রয়োজন হয়েছে।
বিজ্ঞানী ঝেংহাও লিউ বলেন, ‘এ পরীক্ষা প্রমাণ করে, কোয়ান্টাম ফিজিকস আমাদের ধারণার চেয়েও অনেক বেশি নন-ক্ল্যাসিক্যাল বা অপ্রচলিত। কোয়ান্টাম মেকানিকস আবিষ্কারের ১০০ বছর পরেও হয়তো আমরা হিমশৈলের কেবল চূড়া দেখতে পাচ্ছি।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories