বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রাবিতে ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে বহিরাগত নিয়ে শিক্ষার্থীকে ছুরিকাঘাতের অভিযোগ এমবাপ্পে ও ভিনিসিয়ুসে ৪ ম্যাচ পর জয়ের দেখা পেল রিয়াল বিএনপিকে লাল সালাম দিলেন ন্যান্সি অ্যাপলের নেতৃত্বে নতুন মুখ ৫ দিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ নোবিপ্রবির সাবেক শিক্ষার্থী বৃষ্টি আমি কখনোই সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন চাইনি: আফরোজা আব্বাস যুক্তরাষ্ট্র নিশ্চিত করবে ইরান পারমাণবিক অস্ত্র সক্ষম হবে না: ট্রাম্প বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা গ্রহণযোগ্য কি না, স্পষ্ট করল ইরান পুলিশের পোশাকে ফের পরিবর্তন, ফিরছে গাঢ় নীল-অলিভ রং আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা: আপিল শুনানি ২৮ এপ্রিল

ভবঘুরে ও রহস্যময় গ্রহের সন্ধান, পৃথিবীর চেয়ে কমপক্ষে ১০ গুণ বড়

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২৩ বার

মহাবিশ্বে এমন অসংখ্য গ্রহ রয়েছে, যারা কোনো নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে ঘোরে না। মহাকাশবিজ্ঞানের ভাষায় এদের বলা হয় ‘রোগ প্ল্যানেট’ বা ‘ভবঘুরে গ্রহ’। সম্প্রতি জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা তেমনই এক নিঃসঙ্গ ও রহস্যময় গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন, যার ভর আমাদের সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ শনির প্রায় সমান এবং পৃথিবীর চেয়ে প্রায় ১০ গুণ বড়।
সাধারণ গ্রহের মতো কোনো সুনির্দিষ্ট নক্ষত্রের আলোয় আলোকিত না হওয়ায় এসব ভবঘুরে গ্রহ সরাসরি দেখা যায় না। তাই বিজ্ঞানীরা এগুলো শনাক্ত করতে ব্যবহার করেন মাইক্রোলেন্সিং নামের বিশেষ একটি পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে কোনো অন্ধকার গ্রহ যখন দূরবর্তী নক্ষত্রের সামনে দিয়ে যায়, তখন তার মহাকর্ষীয় বল পেছনের নক্ষত্রের আলোকে বাঁকিয়ে সাময়িকভাবে উজ্জ্বল করে তোলে। সেই আলোর পরিবর্তন বিশ্লেষণ করেই গ্রহটির অস্তিত্ব শনাক্ত করা হয়।
চীনের পিকিং ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানী সুভো ডং–এর নেতৃত্বে গবেষক দলটি প্রথমবারের মতো একটি ভবঘুরে গ্রহের ভর ও দূরত্ব নির্ভুলভাবে পরিমাপ করতে সক্ষম হয়েছে। তারা পৃথিবী থেকে ভূমিভিত্তিক টেলিস্কোপের পাশাপাশি মহাকাশে থাকা গাইয়া স্পেস টেলিস্কোপের তথ্য ব্যবহার করেছে। দুই ভিন্ন অবস্থান থেকে একই মাইক্রোলেন্সিং ঘটনা পর্যবেক্ষণ করায় গ্রহটির দূরত্ব ও ভর নির্ধারণ সহজ হয়।
বিজ্ঞানীদের হিসাবে, এই গ্রহটির ভর বৃহস্পতির প্রায় ২২ শতাংশ-যা শনির ভরের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। গ্রহটি মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির কেন্দ্র থেকে প্রায় ৯ হাজার ৭০০ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থান করছে।
জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের ধারণা, এই ভবঘুরে গ্রহটি একসময় কোনো নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে ঘুরছিল। কিন্তু পরে অন্য কোনো বৃহৎ গ্রহের মহাকর্ষীয় টান বা নক্ষত্রজগতের অস্থিতিশীলতার কারণে এটি নিজ কক্ষপথ থেকে ছিটকে পড়ে নিঃসঙ্গ হয়ে যায়। এই আবিষ্কার আমাদের ছায়াপথে লুকিয়ে থাকা কোটি কোটি ভবঘুরে গ্রহের উৎস ও বিবর্তন বুঝতে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories