সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-৩ এর একটি আভিযানিক দল টঙ্গীর উত্তর আরিচপুর এলাকায় অিভযান চালিয়ে টঙ্গীর শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী এবং অসামাজিক কাজের সাথে জড়িত শিরিন আক্তারসহ তার সহযোগী আরো ২ মাদক ব্যবসায়ী প্রায় ৩ হাজার পিছ ইয়াবাসহ গ্রেফতার করেছে।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন যে, কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী চক্রের সদস্যরা গাজীপুর টঙ্গী পূর্ব থানাধীন উত্তর আরিচপুরস্থ হাফিজ উদ্দিন বেপারী রোডের ৮২নং ভবনের ৪র্থ তলার একটি ফ্লাটে অবৈধ মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট নিজ হেফাজতে রেখে বিক্রয়ের জন্য অবস্থান করছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৩ এর একটি আভিযানিক দল বুধবার রাত সাড়ে ১১ টায় ঘটিকার সময় উক্ত স্থানে অভিযান চালিয়ে মাদক ব্যবসায়ী মোছাঃ শিরিন আক্তার (৪০), পিতা-মৃত মঙ্গল সরদার, সাং-গোসাইপাট্রি, থানা-গোসারহাট, জেলা-শরীয়তপুর, মোঃ রুবেল (৩১), পিতা-মোঃ আব্দুর রহিম, সাং-লট উখিয়ার ঘোনা, থানা-রামু, জেলা-কক্সবাজার এবং মোঃ সোহেল (৩১), পিতা-মোঃ আমির হোসেন, সাং-ঈদগাঁও দক্ষিন মাইজপাড়া, থানা-ঈদগাঁও, জেলা-কক্সবাজারদেরকে গ্রেফতার করেন। ওই সময় স্বাক্ষীদের উপস্থিতিতে ধৃত আসামীদের দেহ তল্লাশী করে পকেট এর ভিতর হতে প্লাস্টিকের প্যাকেটে অভিনব কায়দায় লুকানো অবস্থায় ২৯২৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ০৬ টি মোবাইল ফোন, ০৬ টি সীমকার্ড এবং নগদ ৬৮৬৯৫/-টাকা উদ্ধার করেন।

পরে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে উক্ত গ্রেফতারকৃত আসামীরা তাদের কৃতকর্মের বিষয়টি স্বীকার করে এবং তারা একসাথে মিলে পরস্পর যোগসাজশে কক্সবাজার হতে ইয়াবা ক্রয় করে তাদের নিজ হেফাজতে রেখে দীর্ঘদিন যাবৎ গাজীপুর জেলাসহ বিভিন্ন এলাকায় ক্রয়-বিক্রয় করে আসছে বলে জানায়।এব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
এদিকে স্থানীয় লোকজন জানান, শিরিন আক্তার নিজেকে গোপালগঞ্জের মেয়ে পরিচয় দিয়ে টঙ্গীসহ উত্তরার বিভিন্ন এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে কিশোরীসহ বিভিন্ন বয়সের মেয়েদের দিয়ে অসামাজিক কাজ করানো এবং মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত। তাকে গ্রেফতারের খবরে উত্তর আরিচপুর বাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে বলেও অনেকে দাবী করেন।
Leave a Reply