আবহাওয়ার খবর অনুযায়ী দেশজুড়ে আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে মৌসুমি বায়ু। ফলে আগামী কয়েকদিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে। সেই সঙ্গে তাপমাত্রাও কিছুটা কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।আবহাওয়া
মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বঙ্গোপসাগর এলাকায় বজ্রমেঘ তৈরি হচ্ছে এবং বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে। ফলে সাগর উত্তাল আছে। এ অবস্থায় তিন নম্বর সতর্ক সংকেত জারি করা হয়েছে সব সমুদ্রবন্দরে।বৃহস্পতিবার (৩
দেশের সাতটি অঞ্চলের উপর দিয়ে দুপুরের মধ্যে সর্বোচ্চ ৬০ কিমি বেগে ঝড় বয়ে যেতে পারে বলে আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।বুধবার (২ জুলাই) দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য আবহাওয়ার
উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি বর্তমানে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে।এই লঘুচাপের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগরে বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে এবং উত্তর
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি সপ্তাহে সারা দেশে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণও হতে পারে।লঘুচাপ
মৌসুমি বায়ু এ বছর নির্দিষ্ট সময়ের আগেই এসে পড়েছিল দেশে। এর ফলে মে মাসের শেষ দিকে বৃষ্টিও হয়েছিল অপেক্ষাকৃত বেশি। এর মধ্যে ছিল গভীর নিম্নচাপ। দুইয়ে মিলে বৃষ্টির পরিমাণ ছিল
দক্ষিণবঙ্গের পাঁচ জেলায় ব্যাপক ঝড়-জলের আশঙ্কাদক্ষিণবঙ্গে বর্ষা এসে গিয়েছে। চলতি সপ্তাহের শুরু থেকেই রাজ্যজুড়ে বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি করেছিল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলাতেই সকাল থেকে মেঘলা আকাশ, তার সঙ্গে
ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আকাশ আগামী ৬ ঘণ্টা আংশিক মেঘলা থেকে অস্থায়ীভাবে মেঘলা থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এছাড়াও এসময় হালকা বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।সোমবার (২৩ জুন)
আষাঢ়ের শুরুতে এমন বৃষ্টিপাত ইতিবাচক হিসেবে দেখছে আবহাওয়া অফিস। তারা বলছেন, এমন আবহাওয়ায় কমেছে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। আষাঢ়ের শুরুতে এমন আবহাওয়া ২০ বছর পরে পেল রাজশাহীবাসী।আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা
দেশের ৭ জেলার ওপর দিয়ে সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অফিস।আজ রোববার (২২ জুন) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য