সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ১০:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার নিজ জেলা সফরে তারেক রহমান জুলাই সনদ নিয়ে যারা বিভ্রান্ত করতে চাচ্ছে, তারা তো স্বাধীনতাতেই বিশ্বাস করেনি: প্রধানমন্ত্রী বাবা-শ্বশুরসহ একই পরিবার থেকে বিএনপির তিন এমপি সংরক্ষিত নারী আসনে ১১ দলীয় জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা ইসলামাবাদ যাচ্ছে ইরানি প্রতিনিধি দল, থাকছেন যারা পাকিস্তানে ৬ মার্কিন সামরিক বিমান, আঞ্চলিক উত্তেজনার মাঝে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার রাবিতে খাবারের দোকানে অভিযান, ৩২ হাজার টাকা জরিমানা নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় ওয়ানডের স্কোয়াড ঘোষণা বিএনপির মনোনয়ন না পেয়ে যা বললেন কনকচাঁপাদেশের সাইটে প্রতারণার বিরুদ্ধে কড়াকড়ি আনছে গুগল

পাকিস্তানে ৬ মার্কিন সামরিক বিমান, আঞ্চলিক উত্তেজনার মাঝে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ০ বার

ইসলামাবাদের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটিতে একের পর এক মার্কিন সামরিক বিমান অবতরণ করায় নতুন করে আলোচনায় এসেছে দক্ষিণ এশিয়ার কূটনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি। ফ্লাইট ট্র্যাকিং ডেটা অনুযায়ী, অন্তত ছয়টি মার্কিন সরকারি বিমান পাকিস্তানের নুর খান এয়ারবেস-এ অবতরণ করে আবার ফিরে গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব বিমানে যোগাযোগ সরঞ্জাম, মোটরকেড সহায়তা এবং অতিরিক্ত লজিস্টিক সরঞ্জাম বহন করা হচ্ছিল। এর মধ্যে অন্তত দুটি বিমান সোমবার অবতরণ করেছে, আর বাকি চারটি গত ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আসে ও ফিরে যায়। এই ঘাঁটিটি ইসলামাবাদের প্রধান ভিআইপি প্রবেশপথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, ফলে উচ্চপর্যায়ের কোনো মার্কিন প্রতিনিধিদলের আগমন ঘিরেই এ প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্পর্ক আবারও টানাপোড়েনের মুখে পড়েছে। দ্বিতীয় দফা সংলাপ নিয়ে অনিশ্চয়তা, হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা এবং সামরিক পদক্ষেপ-সব মিলিয়ে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছে।
এ প্রেক্ষাপটে পাকিস্তান কূটনৈতিক যোগাযোগে সক্রিয় ভূমিকা রাখছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। পাকিস্তানের শীর্ষ নেতারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রেসিডেন্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন, যাতে নতুন করে সংলাপের পথ তৈরি করা যায়।
বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তানে মার্কিন বিমানের এই ধারাবাহিক অবতরণ কেবল একটি সামরিক বা লজিস্টিক কার্যক্রম নয়; বরং এটি বৃহত্তর কূটনৈতিক প্রস্তুতির ইঙ্গিতও বহন করছে। সম্ভাব্য বৈঠক বা উচ্চপর্যায়ের সফরের আগে নিরাপত্তা ও যোগাযোগ অবকাঠামো নিশ্চিত করতেই এমন পদক্ষেপ নেয়া হয়ে থাকে। বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে-এই তৎপরতা কি নতুন কোনো সংলাপের পথ খুলে দেবে, নাকি মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ায় উত্তেজনা আরও বাড়ার পূর্বাভাস দিচ্ছে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories