শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ১০:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ধর্ষন মামলার অভিযুক্তকে গ্রেফতারের দাবীতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ টঙ্গীতে মাদক সম্রাজ্ঞী কারিমা গ্রেপ্তার ফ্যাসিস্ট সরকারের অপশাসন-দুর্নীতির জঞ্জাল দূর করার দায়িত্ব নিয়েছে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তুলতে সরকারের পাশাপাশি নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য : মীর শাহে আলম হোয়াটসঅ্যাপে চ্যাট ব্যাকআপ বা রিস্টোর হচ্ছে না? সহজেই সমাধান করবেন যেভাবে চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে : আন্তঃশিক্ষা বোর্ড টানা বৃষ্টিতে বেড়েছে অধিকাংশ সবজির দাম চোখে সংক্রমণে আক্রান্ত রণবীর কাপুর, ‘রামায়ণ’-এর ট্রেলার উন্মোচনে থাকতে পারেন কালো চশমায় এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশকে ইইউ ও জি৭৭-এর সমর্থন পুনর্ব্যক্ত বন্যার্তদের পুনর্বাসন না হওয়া পর্যন্ত পাশে থাকবে সরকার: অর্থমন্ত্রী

পাকিস্তানে ৬ মার্কিন সামরিক বিমান, আঞ্চলিক উত্তেজনার মাঝে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২৪ বার

ইসলামাবাদের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটিতে একের পর এক মার্কিন সামরিক বিমান অবতরণ করায় নতুন করে আলোচনায় এসেছে দক্ষিণ এশিয়ার কূটনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি। ফ্লাইট ট্র্যাকিং ডেটা অনুযায়ী, অন্তত ছয়টি মার্কিন সরকারি বিমান পাকিস্তানের নুর খান এয়ারবেস-এ অবতরণ করে আবার ফিরে গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব বিমানে যোগাযোগ সরঞ্জাম, মোটরকেড সহায়তা এবং অতিরিক্ত লজিস্টিক সরঞ্জাম বহন করা হচ্ছিল। এর মধ্যে অন্তত দুটি বিমান সোমবার অবতরণ করেছে, আর বাকি চারটি গত ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আসে ও ফিরে যায়। এই ঘাঁটিটি ইসলামাবাদের প্রধান ভিআইপি প্রবেশপথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, ফলে উচ্চপর্যায়ের কোনো মার্কিন প্রতিনিধিদলের আগমন ঘিরেই এ প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্পর্ক আবারও টানাপোড়েনের মুখে পড়েছে। দ্বিতীয় দফা সংলাপ নিয়ে অনিশ্চয়তা, হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা এবং সামরিক পদক্ষেপ-সব মিলিয়ে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছে।
এ প্রেক্ষাপটে পাকিস্তান কূটনৈতিক যোগাযোগে সক্রিয় ভূমিকা রাখছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। পাকিস্তানের শীর্ষ নেতারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রেসিডেন্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন, যাতে নতুন করে সংলাপের পথ তৈরি করা যায়।
বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তানে মার্কিন বিমানের এই ধারাবাহিক অবতরণ কেবল একটি সামরিক বা লজিস্টিক কার্যক্রম নয়; বরং এটি বৃহত্তর কূটনৈতিক প্রস্তুতির ইঙ্গিতও বহন করছে। সম্ভাব্য বৈঠক বা উচ্চপর্যায়ের সফরের আগে নিরাপত্তা ও যোগাযোগ অবকাঠামো নিশ্চিত করতেই এমন পদক্ষেপ নেয়া হয়ে থাকে। বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে-এই তৎপরতা কি নতুন কোনো সংলাপের পথ খুলে দেবে, নাকি মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ায় উত্তেজনা আরও বাড়ার পূর্বাভাস দিচ্ছে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories