মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০২:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
অভিনেত্রী স্নিগ্ধাকে মারধর ও হত্যাচেষ্টা’: আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন আশিয়ান চেয়ারম্যান নজরুল হালুয়াঘাট হাট-বাজার পরিস্কার -পরিচ্ছন্ন অভিযান শুরু হালুয়াঘাটে উল্টো রথ যাত্রার মধ্যদিয়ে শেষ হল জগন্নাথ দেবের রথ যাত্রা উৎসব বাধ্যতামূলক অবসরে ৩২ ডিসি স্বাধীন গণমাধ্যম নীতিমালা তৈরিতে সাংবাদিকদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী বাবার ইজিবাইকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঝরল মেয়ের প্রাণ মা হলেন মানসিক ভারসাম্যহীন নারী, মেলেনি বাবার পরিচয় ফরিদপুরে ভূমি কর্মকর্তার ‘ঘুষ’ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল বিএনপি সভাপতির বাড়িতে চুরি, খবর শুনেই স্ট্রোকে শাশুড়ির মৃত্যু হাসপাতালে ঢুকে আহত স্ত্রীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

অস্ট্রেলিয়ায় ইনস্টাগ্রাম-ফেসবুকের সাড়ে ৫ লাখ অ্যাকাউন্ট বন্ধ করলো মেটা

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৩৭ বার

শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা জোরদারে অস্ট্রেলিয়া সরকারের নেয়া কঠোর পদক্ষেপের বাস্তব প্রভাব দেখা যাচ্ছে। ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের প্রথম কয়েক দিনের মধ্যেই দেশটিতে প্রায় সাড়ে ৫ লাখ অ্যাকাউন্ট বন্ধ বা ব্লক করেছে মেটা। মেটা এক ব্লগ আপডেটে এ তথ্য জানায়। মেটা জানায়, নতুন আইন পরিপালনের অংশ হিসেবে তাদের তিনটি প্ল্যাটফর্ম থেকে বিপুলসংখ্যক অ্যাকাউন্ট সরিয়ে নেয়া হয়েছে।
মেটার দেয়া তথ্যমতে, বন্ধ হওয়া অ্যাকাউন্টগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ইনস্টাগ্রামে ৩ লাখ ৩০ হাজার ৬৩৯টি। এছাড়া ফেসবুকে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৪৯৭টি এবং থ্রেডসে ৩৯ হাজার ৯১৬টি অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা হয়েছে।
গত বছরের ১০ ডিসেম্বর থেকে অস্ট্রেলিয়ায় ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধ করে আইন কার্যকর হয়। এই আইনকে বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে কঠোর অনলাইন নিয়ন্ত্রণব্যবস্থাগুলোর একটি হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার মতো এলাকায় অভিভাবকের অনুমোদনে শিশুদের অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের সুযোগ থাকলেও অস্ট্রেলিয়ায় এমন কোনো ছাড় রাখা হয়নি। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিকে সর্বোচ্চ ৫ কোটি অস্ট্রেলিয়ান ডলার পর্যন্ত জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।
তবে এই নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করে আসছে মেটা। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, বয়স যাচাইয়ের দায়িত্ব সরাসরি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের ওপর না দিয়ে অ্যাপ স্টোর যেমন অ্যাপল বা গুগল প্লে স্টোর পর্যায়ে করা হলে তা আরও কার্যকর হতো। এতে করে শিশুরা এক প্ল্যাটফর্ম থেকে নিষিদ্ধ হয়ে অন্য কম নিরাপদ অ্যাপে চলে যাওয়ার ঝুঁকি কমবে বলে মনে করে মেটা।
এদিকে আইনটি অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক সমর্থন পেলেও এর কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেক বিশেষজ্ঞ ও কিশোর-কিশোরী। বিশেষ করে এলজিবিটিকিউ ও নিউরোডাইভারজেন্ট সম্প্রদায়ের তরুণদের অভিযোগ, এই নিষেধাজ্ঞা তাদের সামাজিক যোগাযোগ ও মানসিক সমর্থনের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম বন্ধ করে দিচ্ছে। অন্যদিকে প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, ভিপিএন ব্যবহার বা বয়স সংক্রান্ত ভুল তথ্য দিয়ে অনেকেই এই নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে যেতে পারে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories