মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ১০:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার নিজ জেলা সফরে তারেক রহমান জুলাই সনদ নিয়ে যারা বিভ্রান্ত করতে চাচ্ছে, তারা তো স্বাধীনতাতেই বিশ্বাস করেনি: প্রধানমন্ত্রী বাবা-শ্বশুরসহ একই পরিবার থেকে বিএনপির তিন এমপি সংরক্ষিত নারী আসনে ১১ দলীয় জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা ইসলামাবাদ যাচ্ছে ইরানি প্রতিনিধি দল, থাকছেন যারা পাকিস্তানে ৬ মার্কিন সামরিক বিমান, আঞ্চলিক উত্তেজনার মাঝে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার রাবিতে খাবারের দোকানে অভিযান, ৩২ হাজার টাকা জরিমানা নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় ওয়ানডের স্কোয়াড ঘোষণা বিএনপির মনোনয়ন না পেয়ে যা বললেন কনকচাঁপাদেশের সাইটে প্রতারণার বিরুদ্ধে কড়াকড়ি আনছে গুগল

বন্যা মোকাবিলায় ৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : শনিবার, ১৬ জুলাই, ২০২২
  • ৮৫ বার

বন্যায় চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন সিলেট ও সুনামগঞ্জের মানুষ।  উত্তরের কিছু জেলায়ও ভয়াবহ রূপ নেয় বন্যা পরিস্থিতি।  এ বন্যা মোকাবিলা ও পরবর্তী ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে ৫০ কোটি ডলার ঋণ অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংক।  ডলারপ্রতি ৯০ টাকা ধরলে বাংলাদেশি মুদ্রায় এ ঋণের পরিমাণ দাঁড়ায় চার হাজার ৫০০ কোটি টাকা।বিশ্বব্যাংকের এ ঋণে সিলেট ও সুনামগঞ্জের ১৪ উপজেলার ১ দশমিক ২৫ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ উপকৃত হবেন। বন্যাপ্রবণ জেলায় অভ্যন্তরীণ বন্যার বিরুদ্ধে দুর্যোগ প্রস্তুতির উন্নতিতেও এ ঋণ ব্যবহার করা হবে।

শুক্রবার (১৬ জুলাই) বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিস থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।‘রেজিলেন্ট ইনফ্রাসট্রাকচার অব অ্যাডাপটেশন অ্যান্ড ভালনারেবিলিটি রিডাকশন’ প্রকল্পের আওতায় এ ঋণ ব্যবহার করা হবে। প্রকল্পের আওতায় ৫০০টির বেশি বহুমুখী বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, অ্যাকসেস রাস্তা এবং জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে। এর মাধ্যমে নদী ও আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করবে।স্বাভাবিক সময়ে বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রগুলো প্রাথমিক বিদ্যালয় হিসেবে ব্যবহার করা হবে। এসব অবকাঠামোতে সৌরশক্তি ব্যবস্থা, পানি, স্যানিটেশন এবং নানান স্বাস্থ্য সুবিধা থাকবে। নারী ও দুর্বল জনগোষ্ঠীর জন্যও বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে এসব আশ্রয়কেন্দ্রে। প্রকল্পটি বন্যার প্রস্তুতি ও প্রতিক্রিয়া এবং আচরণগত পরিবর্তনের পদক্ষেপে সরকারি সংস্থাগুলোর সক্ষমতা জোরদারে সহায়তা করবে।বাংলাদেশে নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বন বলেন, ‘সিলেট অঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এ দুর্যোগ দেখা দিয়েছে। ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি, অপ্রত্যাশিত বন্যা এবং তীব্র প্রাকৃতিক দুর্যোগে ভয়াবহ ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশকে বন্যাপ্রবণ এলাকায় দুর্যোগ প্রস্তুতির উন্নতিতে সাহায্য করবে প্রকল্পটি। এটি দুর্যোগ প্রতিক্রিয়া থেকে একটি দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা পদ্ধতিতে দেশের রূপান্তরকেও সহায়তা করবে।’

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories