সরকারের নানামূখী উদ্যোগ গ্রহনের পরও কিছুতেই থামছেনা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের যানজট। সড়ক দুর্ঘটনা, টোল আদায়ে ধীরগতি ও ঈদকে কেন্দ্র করে রাত থেকে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ বেড়েছে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে। ফলে মহাসড়কের মাইলের পর মাইল এলাকায় থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।
শুক্রবার (৮ জুন) ভোর থেকে বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্বপাড় থেকে সদর উপজেলার আশেকপুর বাইপাস পর্যন্ত এ যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে ঘরমুখী মানুষ বিশেষ করে নারী ও শিশুরা বিপাকে পড়েন। আজ সকালে দৃশ্য নজরে পড়ার মতো। ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ নারীর টানে বাড়ি ফেরা যাত্রী সাধারণের।
শুক্রবার এলেঙ্গা এলাকায় আটকে থাকা উত্তরবঙ্গগামী এক বাসচালক বলেন, ‘সড়কে প্রচুর গাড়ি। পাঁচ কিলোমিটার পার হতে এক ঘণ্টা সময় লেগেছে।’
শনিবার সকালে আনোয়ারা বেগম নামের এক মধ্যবয়সী নারী যাত্রী বলেন, পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে গাইবান্দা স্বামীর বাড়ি যাচ্ছি। জ্যামে কোলে থাকা এক বছরের ছেলের খুব কষ্ট হচ্ছে। আমারও খুব খারাপ লাগছে।
শুক্রবার বিকেলে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, সেতুর পশ্চিম পাশে ১৭ নম্বর পিলারের কাছে বাস-পিকআপের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এতে ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট টোল আদায় বন্ধ রাখে সেতু কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়া অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ রয়েছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যান চালাচল স্বাভাবিক হলে বেলা নামার সাথে সাথে তা বেড়ে যায়। শনিবার সকাল থেকে সূর্য়ের তাপমাত্র বেশী হলেও প্রচন্ড তাপদাহের মধ্যেই যানজটের একই দৃশ্য নজরে পড়ে উক্ত মহাসড়কে। যানজট নিরসনসহ যাত্রী সাধারণের দূর্ভোগ লাঘবে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় থানা পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশসহ বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থা রাতদিন কাজ করতে দেখা গেছে।
Leave a Reply