খাওয়া ও গোসলের সঙ্গে কম-বেশি সব মানুষেরই সম্পর্ক রয়েছে। যা একজন মানুষের প্রতিদিনই করতে হয়। এসব শ্বাস-প্রশ্বাস ও ঘুমের মতোই গুরুত্বপূর্ণ। তবে খাওয়া ও গোসল দৈনন্দিন স্বাভাবিক কাজ হলেও এ
ইসবগুলকে সাইলিয়াম হাস্কও বলা যায়। এই উদ্ভিদের বীজের বাইরের আবরণ ভারতের বিভিন্ন জায়গায় জন্মে। এর বীজ সংগ্রহ করার সময় বাইরের আবরণ বা ভুসি আলাদা করা হয়, যা পরবর্তীতে পরিষ্কার করা
ক্যানসার বিভিন্ন রকমের হয়ে থাকে যার মধ্যে একটি বোন ক্যানসার। আর এটা এমন এক ধরনের ক্যানসার, যা সরাসরি হাড়ে আক্রমণ করে এবং দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। শুরুতে এর লক্ষণ সাধারণ
শীত এলেই বাতাসের আর্দ্রতা কমে যায়, তাপমাত্রা নেমে যায় এবং ত্বক হয়ে ওঠে রুক্ষ, শুষ্ক ও খসখসে। ঘরের হিটার কিংবা গিজারের গরম পানি ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা আরও কমিয়ে দেয়। এর
এখন শীতকাল চলছে। ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে মৌসুমী সংক্রমণও দেখা দিচ্ছে অনেকের। অনেক মানুষেরই রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাচ্ছে। এ জন্য রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ফলের দিকে ঝুঁকছেন তারা। আর বাজারে
শীতের মৌসুম চলছে। এ সময় বাসা-বাড়ির বাইরে উঁকি দিলেই দেখা যায় কুয়াশার স্তর পড়ে আছে। আবার বাতাস তো রয়েছেই। শীতে বাতাস যেমন শীতের তীব্রতা বাড়ায়, আবার কুয়াশা ঠান্ডাজনিত নানা সমস্যা
মুখের ভেতরের ভাঙা বা ধারালো দাঁতের ক্ষতকে অনেকেই গুরুত্ব দেন না। জিহ্বা বা গালে বারবার লাগা এই সামান্য খোঁচা বা ক্ষতটিই দীর্ঘদিন রাখলে একসময় তা নীরবে ক্যান্সারে রূপ নিতে পারে।
বাঙালির আঙিনা,বাড়ির উঠান কিংবা মাটির টবে-তুলসী গাছ যেন শতবর্ষের ঐতিহ্য।ধর্মীয় বিশ্বাস,আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা এবং সব ক্ষেত্রেই তুলসী এক অনন্য ভেষজ সম্পদ।সহজে চাষযোগ্য,দুর্গন্ধনাশক,অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ হওয়ায় তুলসী গাছের মূল্য আজ পৃথিবীতে স্বীকৃত।তুলসীর
সকালে ঘুম ভাঙতেই অনেকেরই চা-কফিতে চুমুক দেয়ার অভ্যাস। চা-কফিতে চুমুক ছাড়া কেউ কেউ নাকি দিনই শুরু করতে পারেন না। কেউ আবার সকালের নাশতা হিসেবে চা-কফির সঙ্গে অন্যসব খাবার যোগ করেন।
কুমড়াকে সবজি হিসেবে কম-বেশি সবাই খেয়ে থাকেন। যদিও এর বীজ প্রায় ক্ষেত্রেই ফেলে দেয়া হয়। খুব কম সংখ্যক মানুষই কুমড়ার বীজ সংরক্ষণ করেন এবং তা খেয়ে থাকেন। এটি অবহেলিত হলেও