বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
টঙ্গীতে বিদেশি পিস্তলসহ গ্রেপ্তার-২ ঢাকায় ১১০ মেগাওয়াট লোডশেডিং করার সিদ্ধান্ত: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী ফ্যাসিস্ট আমলের সব সার ডিলার বাতিল: চিফ হুইপ ইসির সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আপিলের ঘোষণা মনিরা শারমিনের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শন করে পরীক্ষার্থীদের খোঁজ-খবর নিলেন বিরোধী দলীয় নেতা বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমেছে, দেশে ভরি কত নতুন করে হরমুজ প্রণালি নিয়ে কঠোর নির্দেশনা দিলেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের দুই পিএইচডি শিক্ষার্থী এক সপ্তাহ ধরে নিখোঁজ পুলিশের ইউনিফর্ম পরিবর্তন প্রক্রিয়া বন্ধ চেয়ে আইনি নোটিশ কৃষি উৎপাদন খরচ কমাতে মাঠ পর্যায়ে ন্যানো-ইউরিয়া সারের সফলতা

ঢাকায় ১১০ মেগাওয়াট লোডশেডিং করার সিদ্ধান্ত: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১ বার

ঢাকাসহ সারাদেশে বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় রাজধানীতে পরীক্ষামূলকভাবে লোডশেডিং চালুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে ৩০০ বিধিতে দেয়া বিবৃতিতে তিনি এ তথ্য জানান। প্রতিমন্ত্রী বলেন, পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহের ঘাটতির কারণে বর্তমানে দেশের বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং চলছে, যা নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকার নতুন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
তিনি জানান, শহর ও গ্রামের মধ্যে বিদ্যুৎ ব্যবহারে বৈষম্য কমানো এবং কৃষি খাতে সেচ কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখার লক্ষ্যে রাজধানী ঢাকাতেও পরীক্ষামূলকভাবে লোডশেডিং কার্যকর করা হবে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রাথমিকভাবে রাজধানীতে প্রায় ১১০ মেগাওয়াট লোডশেডিং বাস্তবায়ন করা হতে পারে।
প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, শহরের মানুষ আরামে থাকবে আর গ্রামের মানুষ কষ্টে থাকবে-এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান বিদ্যুৎ সংকট একদিনে তৈরি হয়নি বরং অতীতের অব্যবস্থাপনার ফলেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। কাগজে-কলমে উৎপাদন সক্ষমতা বেশি হলেও বাস্তব সরবরাহে ঘাটতি রয়েছে।
সংসদে দেয়া তথ্যে তিনি আরও জানান, দেশের দৈনিক গ্যাস চাহিদা প্রায় ৩ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট হলেও বর্তমানে সরবরাহ করা যাচ্ছে প্রায় ২ হাজার ৬৩৬ মিলিয়ন ঘনফুট। ফলে প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার ১৬৪ মিলিয়ন ঘনফুট ঘাটতি থেকে যাচ্ছে। পর্যাপ্ত অর্থ থাকা সত্ত্বেও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে দ্রুত গ্যাস আমদানি বৃদ্ধি করা সম্ভব হচ্ছে না বলে তিনি উল্লেখ করেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, বিদ্যুতের বর্তমান সংকট সামাল দিতে একটি আমদানি নির্ভর পাওয়ার প্লান্ট এবং একটি কয়লাভিত্তিক কেন্দ্র রক্ষণাবেক্ষণের কারণে সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে, যা সরবরাহে প্রভাব ফেলেছে। তবে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে এসব কেন্দ্র পুনরায় চালু হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে এবং এক সপ্তাহের মধ্যে লোডশেডিং সহনীয় পর্যায়ে নেমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ফসল কাটার মৌসুমে কৃষকদের সেচ কার্যক্রম সচল রাখতে সরকার বিশেষভাবে নজর দিচ্ছে এবং প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় কৃষি খাতে ডিজেল ও বিদ্যুৎ সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখার চেষ্টা চলছে।
জনগণের সাময়িক ভোগান্তির জন্য দুঃখ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী আশ্বস্ত করেন, সরকারের অগ্রাধিকার তালিকায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের অবকাঠামো উন্নয়ন কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের সংকট এড়ানো সম্ভব হয়।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories