শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সমাজবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে সর্তক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর পথ শিগগিরই সুগম হবে’ সাত মাসে ১৫ হাজার ৭১৭ শিশু নিখোঁজের জিডি, উদ্ধার ১৩ হাজার ৬৭৯ ইস্টার্ন রিফাইনারি সম্প্রসারণে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ১ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি সই নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে পুলিশকে রাষ্ট্রপতির আহ্বান ২০২৭ সালের বিশ্ব ইজতেমার তারিখ ঘোষণা দেশকে অস্থিতিশীল করতে গুজব ছড়ানো হচ্ছে, সতর্ক থাকুন: প্রধানমন্ত্রী সচিব পদে পদোন্নতি পেলেন তিন কর্মকর্তা জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় আজকের পদক্ষেপই আগামীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে : পরিবেশমন্ত্রী দুই দিনের সফরে ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

বগুড়ায় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার হল সুপারকে প্রত্যাহার

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩৯ বার

বগুড়ার ধুনট উপজেলায় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার হল সুপার ইমরুল কায়েসকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে। শিক্ষকদের লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাকে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়। তিনি বিশ্বহরিগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে চাকরি করেন।
শুক্রবার সকালে ধুনট উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সাইয়্যেদা জাহান বানু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ২০১৮ সালে পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষা কেন্দ্রে হল সুপারের দায়িত্ব পালনকালে তার বিরুদ্ধে অসুদপায় অবলম্বনের অভিযোগ উঠে। ওই সময়কার ঘটনার জেরে চলতি প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা কেন্দ্রে তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক। ফলে হল সুপার ইমরুল কায়েসকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে নিয়ে তার স্থলে মাঠপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এটিএম হান্নানুজ্জামানকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ১৫ এপ্রিল থেকে বৃত্তি পরীক্ষা শুরু হয়েছে। এ উপজেলায় ৪৬২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বৃত্তি পরীক্ষায় ইমরুল কায়েসকে হল সুপারের দায়িত্ব দিয়ে ধুনট সরকারি নইম উদ্দিন পালইট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে নিয়োজিত করেন। পরীক্ষার প্রথম দিন ১৫ এপ্রিল দায়িত্ব পালনের ৩০ মিনিট পর শিক্ষকগণ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। ফলে পরীক্ষা কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে এমরুল কায়েসকে কেন্দ্র থেকে প্রত্যাহার করে নেন।
এ বিষয়ে উপজেলার বিশ্বহরিগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইমরুল কায়েস জানান, কতিপয় শিক্ষক আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে আমার সুনাম নষ্ট করার চেষ্টা করছেন। তবে শিক্ষা অফিস থেকে হল সুপারের দায়িত্ব পালনের নিয়োগপত্র এবং আমাকে প্রত্যাহার করে নেয়ার কোন পত্র আমাকে দেয়া হয়নি।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories