শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ১২:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ধর্ষন মামলার অভিযুক্তকে গ্রেফতারের দাবীতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ টঙ্গীতে মাদক সম্রাজ্ঞী কারিমা গ্রেপ্তার ফ্যাসিস্ট সরকারের অপশাসন-দুর্নীতির জঞ্জাল দূর করার দায়িত্ব নিয়েছে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তুলতে সরকারের পাশাপাশি নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য : মীর শাহে আলম হোয়াটসঅ্যাপে চ্যাট ব্যাকআপ বা রিস্টোর হচ্ছে না? সহজেই সমাধান করবেন যেভাবে চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে : আন্তঃশিক্ষা বোর্ড টানা বৃষ্টিতে বেড়েছে অধিকাংশ সবজির দাম চোখে সংক্রমণে আক্রান্ত রণবীর কাপুর, ‘রামায়ণ’-এর ট্রেলার উন্মোচনে থাকতে পারেন কালো চশমায় এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশকে ইইউ ও জি৭৭-এর সমর্থন পুনর্ব্যক্ত বন্যার্তদের পুনর্বাসন না হওয়া পর্যন্ত পাশে থাকবে সরকার: অর্থমন্ত্রী

বগুড়ায় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার হল সুপারকে প্রত্যাহার

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩০ বার

বগুড়ার ধুনট উপজেলায় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার হল সুপার ইমরুল কায়েসকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে। শিক্ষকদের লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাকে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়। তিনি বিশ্বহরিগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে চাকরি করেন।
শুক্রবার সকালে ধুনট উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সাইয়্যেদা জাহান বানু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ২০১৮ সালে পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষা কেন্দ্রে হল সুপারের দায়িত্ব পালনকালে তার বিরুদ্ধে অসুদপায় অবলম্বনের অভিযোগ উঠে। ওই সময়কার ঘটনার জেরে চলতি প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা কেন্দ্রে তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক। ফলে হল সুপার ইমরুল কায়েসকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে নিয়ে তার স্থলে মাঠপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এটিএম হান্নানুজ্জামানকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ১৫ এপ্রিল থেকে বৃত্তি পরীক্ষা শুরু হয়েছে। এ উপজেলায় ৪৬২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বৃত্তি পরীক্ষায় ইমরুল কায়েসকে হল সুপারের দায়িত্ব দিয়ে ধুনট সরকারি নইম উদ্দিন পালইট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে নিয়োজিত করেন। পরীক্ষার প্রথম দিন ১৫ এপ্রিল দায়িত্ব পালনের ৩০ মিনিট পর শিক্ষকগণ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। ফলে পরীক্ষা কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে এমরুল কায়েসকে কেন্দ্র থেকে প্রত্যাহার করে নেন।
এ বিষয়ে উপজেলার বিশ্বহরিগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইমরুল কায়েস জানান, কতিপয় শিক্ষক আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে আমার সুনাম নষ্ট করার চেষ্টা করছেন। তবে শিক্ষা অফিস থেকে হল সুপারের দায়িত্ব পালনের নিয়োগপত্র এবং আমাকে প্রত্যাহার করে নেয়ার কোন পত্র আমাকে দেয়া হয়নি।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories