বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আজ বিজয়া দশমী, ঢাক-শঙ্খের ধ্বনিতে বিদায়ের সুর লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে পানির সংকটে কৃষকের হাহাকার ভিক্ষার অভিযোগে সৌদি আরবে বাংলাদেশি ও ভারতীয় ৪ প্রবাসী গ্রেপ্তার যুক্তরাষ্ট্রে ৩ লাখের বেশি ভিসা বাতিল করল ট্রাম্প প্রশাসন ভাড়া শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমনকে দিতে হবে’ বলে কুরিয়ার সার্ভিসের গুদামে ঢুকে ভাঙচুর-লুটপাট আগস্টে বাংলাদেশিদের কার্ডে বিদেশে ব্যয় ৯৮৭ কোটি টাকা পুকুরে ডুবে জমজ দুই ভাইয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু সব ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে হবে: প্রধানমন্ত্রী আজ মহানবমী পূঁজা, শুরু দেবীর বিদায়ের ক্ষণগণনা আমাকে দেখলে তো লোকে সংবিধান বলে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বগুড়ায় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার হল সুপারকে প্রত্যাহার

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৪৭ বার

বগুড়ার ধুনট উপজেলায় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার হল সুপার ইমরুল কায়েসকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে। শিক্ষকদের লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাকে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়। তিনি বিশ্বহরিগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে চাকরি করেন।
শুক্রবার সকালে ধুনট উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সাইয়্যেদা জাহান বানু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ২০১৮ সালে পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষা কেন্দ্রে হল সুপারের দায়িত্ব পালনকালে তার বিরুদ্ধে অসুদপায় অবলম্বনের অভিযোগ উঠে। ওই সময়কার ঘটনার জেরে চলতি প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা কেন্দ্রে তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক। ফলে হল সুপার ইমরুল কায়েসকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে নিয়ে তার স্থলে মাঠপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এটিএম হান্নানুজ্জামানকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ১৫ এপ্রিল থেকে বৃত্তি পরীক্ষা শুরু হয়েছে। এ উপজেলায় ৪৬২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বৃত্তি পরীক্ষায় ইমরুল কায়েসকে হল সুপারের দায়িত্ব দিয়ে ধুনট সরকারি নইম উদ্দিন পালইট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে নিয়োজিত করেন। পরীক্ষার প্রথম দিন ১৫ এপ্রিল দায়িত্ব পালনের ৩০ মিনিট পর শিক্ষকগণ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। ফলে পরীক্ষা কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে এমরুল কায়েসকে কেন্দ্র থেকে প্রত্যাহার করে নেন।
এ বিষয়ে উপজেলার বিশ্বহরিগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইমরুল কায়েস জানান, কতিপয় শিক্ষক আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে আমার সুনাম নষ্ট করার চেষ্টা করছেন। তবে শিক্ষা অফিস থেকে হল সুপারের দায়িত্ব পালনের নিয়োগপত্র এবং আমাকে প্রত্যাহার করে নেয়ার কোন পত্র আমাকে দেয়া হয়নি।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories