বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রাবিতে ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে বহিরাগত নিয়ে শিক্ষার্থীকে ছুরিকাঘাতের অভিযোগ এমবাপ্পে ও ভিনিসিয়ুসে ৪ ম্যাচ পর জয়ের দেখা পেল রিয়াল বিএনপিকে লাল সালাম দিলেন ন্যান্সি অ্যাপলের নেতৃত্বে নতুন মুখ ৫ দিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ নোবিপ্রবির সাবেক শিক্ষার্থী বৃষ্টি আমি কখনোই সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন চাইনি: আফরোজা আব্বাস যুক্তরাষ্ট্র নিশ্চিত করবে ইরান পারমাণবিক অস্ত্র সক্ষম হবে না: ট্রাম্প বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা গ্রহণযোগ্য কি না, স্পষ্ট করল ইরান পুলিশের পোশাকে ফের পরিবর্তন, ফিরছে গাঢ় নীল-অলিভ রং আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা: আপিল শুনানি ২৮ এপ্রিল

লালমনিরহাটে স্বামীকে বালিশচাপায় হত্যা করলেন স্ত্রী

জেলা প্রতিনিধি, লালমনিরহাট
  • আপলোডের সময় : বুধবার, ২৮ জুলাই, ২০২১
  • ৯৭ বার

পরকীয়ার জেরেই স্বামী জলিলকে হত্যা করা হয়েছে বলে স্বীকার করলেন স্ত্রী মমিনা বেগম ও পরকীয়া প্রেমিক গোলাম রব্বানী। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে উঠে এসেছে এমন তথ্য। এছাড়াও হত্যায় ব্যবহৃত আলামত সংগ্রহ করে পুলিশের বিশেষ টিম।আজ বুধবার (২৮ জুলাই) দুপুরে এসপি (এ সার্কেল) মারুফা জামাল হত্যার সঙ্গে জড়িত স্ত্রী মমিনা বেগম ও পরকীয়া প্রেমিক গোলাম রব্বানীকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণের কথা নিশ্চিত করেন।

স্ত্রী মমিনা বেগম লালমনিরহাট পৌরসভার সাপটানা মাজাপাড়া এলাকার মোল্লা মিয়ার মেয়ে।ছোট ভাইয়ের স্ত্রী মমিনা বেগমকে বলেন, তুমি আমাদের সঙ্গে গ্রামের বাড়িতে চলো। মমিনা রেগে বলেন, আমি আপনাদের বাড়ি আর কোনোদিনই যাবো না। আমি এখানেই আবার বিয়ে করবো এবং এখানেই থাকবো।মমিনা বেগমের এ কথা শোনার সন্দেহ হয়। এ কারণেই পরের দিন (২৫ জুলাই) তার ছোটভাই জলিলকে হত্যা করা হয়েছে মর্মে এসপির বরাবর একটি অভিযোগ দায়ের করেন।অভিযোগ পাওয়ার পরপরই নড়ে চড়ে বসে পুলিশ। ওই দিনই পুলিশ সুপার (এ সার্কেল) মারুফা জামালের নেতৃত্বে সদর থানা পুলিশ বিভিন্ন এঙ্গেলে তদন্ত শুরু করেন। প্রাথমিকভাবে তাদের জিজ্ঞাসাবাদে কোন ক্লু পাচ্ছিলো না পুলিশ। পরে তাদের ফোন কল যাচাই করে মঙ্গলবার সকালে তাদের ৪ জনকে এসপির কার্যালয়ে নিয়ে এসে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করলে জলিলকে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেন মমিনা বেগম ও পরকীয়া প্রেমিক গোলাম রব্বানী। হত্যার সঙ্গে সম্পৃক্ততা না থাকায় পরে বাকি দুজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

বুধবার সকালে স্ত্রী মমিনা বেগম ও পরকীয়া প্রেমিক গোলাম রব্বানীকে ১৬৪ দারায় জবানবন্দি রেকর্ডের জন্য আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে এসপি (এ সার্কেল) মারুফা জামাল নিশ্চিত করেন।এর আগে, ঈদের দ্বিতীয় দিনে এক সঙ্গেই ছিলেন পরকীয়া প্রেমিক গোলাম রব্বানী ও আব্দুল জলিল। ওইদিন গভীর রাতে পল্লী চিকিৎসক গোলাম রব্বানী কৌশলে জলিলকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। এদিকে অপেক্ষারত স্ত্রী মমিনা বেগম স্বামী ঘুমিয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাকে বালিশ চাপায় শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। এসময় যন্ত্রণায় ছটফট করতে করতে জলিলের মৃত্যু হয়।স্বামীর মৃত্যু নিশ্চিত হলে ভোরের দিকে মমিনা বেগম চিৎকার শুরু করে। পরে আশপাশের লোকজন এসে জলিলের নাকে ও মুখে রক্ত বের হতে দেখেন এবং পরকীয়া প্রেমিক পল্লী চিকিৎসক গোলাম রব্বানী মৃত্যু নিশ্চিত করে তড়িঘড়ি করে লাশ দাফন করেন।

লালমনিরহাট সদর থানার ওসি শাহা আলম বলেন, ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে জলিলকে হত্যা করা হয়েছে বলেই প্রাথমিকভাবে পুলিশ নিশ্চিত হতে পেরেছে। নিহতের স্ত্রী মমিনা বেগম ও পরকীয়া প্রেমিক গোলাম রব্বানী সরাসরি হত্যার সঙ্গে সম্পৃক্ত। সকালে তাদের জবানবন্দি রেকর্ডের জন্য আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালত আদেশ দিলে ময়নাতদন্তের জন্য প্রয়োজনে লাশ কবর থেকে তোলা হবে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories