বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রাষ্ট্রপতির আগে মহামান্য, প্রধানমন্ত্রী-মন্ত্রীদের আগে মাননীয়’ ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা পলিথিনের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার বন্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ না থামলে জ্বালানি সংকট নিরসন সম্ভব নয়: রুহুল কবির রিজভী প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ মহাসড়কে স্লিপার বাস চালানো যাবে না : হাইকোর্ট জ্বালানি নিরাপত্তা শক্তিশালী করতে সরকার কাজ করছে : ড. তিতুমীর ৪০ বছর পর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব নিল বাংলাদেশ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু মালয়েশিয়ার জোহরে তিন কারখানায় অভিযান, ১৫৫ বাংলাদেশিসহ আটক ২৩৪ মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি প্রকৌশলীদের চাকরি চান হাইকমিশনার

যুক্তরাজ্যে থাকা টিউলিপের অবৈধ অর্থ জব্দে কাজ করছে দুদক

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ৭০ বার

মানি লন্ডারিংয়ের মাধ্যমে অর্জিত যুক্তরাজ্যে টিউলিপ সিদ্দিকের অবৈধ অর্থ জব্দ করবে বাংলাদেশ। এরই মধ্যে এ নিয়ে কাজ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন। এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ।
স্থানীয় সময় রোববার প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, টিউলিপের খালা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকাকালে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনতে দুদকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন। সিটি মিনিস্টারের পদ থেকে পদত্যাগ করার প্রায় এক মাস পরও বাংলাদেশে তার খালার স্বৈরাচারী শাসনের সঙ্গে যোগসূত্র ও সম্পদ বিষয়ক প্রশ্নের মুখে পড়ছেন টিউলিপ।
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর নৈতিকতা বিষয়ক উপদেষ্টা স্যার লাউরি ম্যাগনাসের তদন্তে জানা যায়, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন দল আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত এক ব্যক্তির কাছ থেকে উপহার পাওয়া একটি ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপ অসাবধানতাবশত জনগণকে বিভ্রান্ত করেছেন। তদন্তের জেরে টিউলিপ পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।
যুক্তরাজ্যের এমপি টিউলিপ অল্প সময়ের জন্য সিটি মন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই ছিল তার দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত। শেখ হাসিনার রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তির লন্ডনের সম্পত্তি ব্যবহার করা নিয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে প্রশ্নের পর টিউলিপ তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছিলেন।
দুদকের মহাপরিচালক আখতার হোসেন বলেন, দুদক টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে জড়িত থাকার অভিযোগ তদন্ত করছে এবং বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটকে একটি প্রতিবেদন পাঠাতে বলেছে। আমরা এখনো যুক্তরাজ্য এবং অন্যান্য দেশসহ বিদেশি উৎস থেকে প্রমাণ সংগ্রহ করছি। প্রাথমিক প্রতিবেদনে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে যে পাচারকৃত অর্থ কেবল যুক্তরাজ্যেই নয়, বরং বিভিন্ন গন্তব্যে স্থানান্তরিত হয়েছে। আমরা যথাযথ চ্যানেলের মাধ্যমে পারস্পরিক আইনি সহায়তার অনুরোধ পাঠানোর চেষ্টা করছি। তাই, বিদেশি এবং অন্যান্য উৎস থেকে সহায়তা পাওয়ার পর, আমাদের দল সিদ্ধান্ত নেবে যে তারা কীভাবে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে।
তিনি আরও বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং যুক্তরাজ্যসহ একাধিক দেশের আইন প্রয়োগকারী সংস্থা পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারে তাদের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। এই বিষয়ে ইতোমধ্যেই বেশ কয়েকটি বৈঠক হয়েছে এবং তদন্ত দল আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অর্থ দেশে ফেরত পাঠাতে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।
এদিকে টিউলিপ সিদ্দিকের একজন মুখপাত্র বলেছেন, এসব অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। এই বিষয়ে কেউ টিউলিপ সিদ্দিকের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি এবং তিনি এসব দাবি নাকচ করেছেন।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories