পাকিস্তানের বিপক্ষে টাইগার বোলারদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল বাবর-রিজওয়ানদের মতো প্রতিষ্ঠিত ব্যাটারদের প্রতিহত করা। যেখানে শুরুতেই আব্দুল্লাহ শাফিক, শান মাসুম এবং বাবর আজমকে শুরুতেই সাজঘরে ফিরিয়ে প্রথম ধাপে সফল হয়েছিল, দ্বিতীয় ধাপে পুরোপুরি ব্যর্থ শরিফুলরা।
টপ-অর্ডারের ব্যর্থতার পর মিডিল-অর্ডারের ব্যাটার উপর ভর করে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে পাকিস্তান। সেই সঙ্গে ওয়ানডে মেজাজে ব্যাট করে ৬৪ বলে ফিফটি এবং ১৪৩ বলে সেঞ্চুরি তুলে নেন রিজওয়ান। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন সাউদ শাকিল।
দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ১৯৭ বলে সেঞ্চুরি তুলে নেন এই বাঁহাতি ব্যাটারও। দুজনেরই টেস্ট ক্যারিয়ারে তৃতীয় সেঞ্চুরি।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৪ উইকেট হারিয়ে ৭৯ ওভারে ২৯০ রানে ব্যাট করছে পাকিস্তান। শাকিল ১০০* রান এবং রিজওয়ান ১০৯ রানে অপরাজিত রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দিনের নির্ধারিত সময়ের ১৫ মিনিট আগেই মাঠে নামে দুই দল। এদিন শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। ওয়ানডে মেজাজে রান তুলতে থাকেন রিজওয়ান। তাই ফিফটির তুলতে বেশি সময় নেননি এই ডান হাতি ব্যাটার।
দুজনের ব্যাটে ভর করে দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৯৮ রান তুলেছে পাকিস্তান। সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তের রয়েছে দুই ব্যাটার।
এর আগে প্রথম দিনে মাত্র ১৬ রানেই তিন উইকেট হারানোর পর সাউদ শাকিলকে সঙ্গে নিয়ে পাক শিবিরের হাল ধরেন ওপেনার সাইম আইয়ুব। দুজনের ব্যাটে ভর করে ঘুরে দাঁড়িয়েছে পাকিস্তান। ফিফটি তোলার পর বেশিক্ষণ পিচে টিকতে পারেননি আইয়ুব। ৫৬ রান করে এই বাঁহাতি ওপেনারকে সাজঘরে ফেরান হাসান মাহমুদ।
তবে এক প্রান্ত আগলে রেখে ফিফটি তুলে নেন শাকিল। তাকে সঙ্গ দেন মোহাম্মদ রিজওয়ান। দুজনের ব্যাটে ভর করে প্রথমদিনে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৫৮ রান তুলছে পাকিস্তান।
Leave a Reply