উত্তরাঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় আগামী এক-দুই দিনের মধ্যে জেঁকে বসতে পারে শীত। ঢাকায় পুরোদমে শীতের অনুভূতি পেতে অপেক্ষা করতে হতে পারে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত। এমন আভাস দিয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তরের
ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের প্রভাবে শুক্রবার সকালে রাজধানীতে হালকা বৃষ্টি হয়েছে। দুপুরের পরে কমলেও আকাশ ছিল মেঘলা। আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, শুক্রবার রাতের তাপমাত্রা এক থেকে দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে।এ দিকে
আপাতত সারাদেশ থেকে বৃষ্টি কেটে গেছে। কমতে শুরু করেছে রাতের তাপমাত্রা। রোদের দেখা মেলায় বাড়ছে দিনের তাপমাত্রা। বৃষ্টি বিদায় নেওয়ার পর শীত ক্রমেই বাড়ছে। আগামী দিনগুলোতে রাতের তাপমাত্রা ক্রমেই কমে
বঙ্গোপসাগরের কোলে জন্ম নেয়া ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউম’ নিম্নচাপে পরিণত হলেও এর প্রভাবে বাংলাদেশের উপকূলীয় জেলায় বা বিভিন্ন জায়গায় থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। তবে বৃষ্টি কমে গেলে শুক্রবার থেকে তাপমাত্রা কমতে পারে
রাজধানীসহ প্রায় সারাদেশেই গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি হয়েছে। বুধবার রাত থেকে দেশের বিভিন্ন জায়গায় শুরু হওয়া এই বৃষ্টি এখনো অব্যাহত আছে। কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হয়েছে। অসময়ে এই বৃষ্টিতে কৃষকের
বঙ্গোপসাগরের কোলে জন্ম নেয়া ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউম’ নিম্নচাপে পরিণত হলেও এর প্রভাবে বাংলাদেশের উপকূলীয় জেলায় বা বিভিন্ন জায়গায় থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। তবে বৃষ্টি কমে গেলে শুক্রবার থেকে তাপমাত্রা কমতে পারে
ঢাকাসহ দেশের ১৭টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কি.মি. বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে।বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ
রাজধানীসহ প্রায় সারাদেশেই গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি হয়েছে। বুধবার রাত থেকে দেশের বিভিন্ন জায়গায় শুরু হওয়া এই বৃষ্টি এখনো অব্যাহত আছে। কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হয়েছে। অসময়ে এই বৃষ্টিতে কৃষকের
ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের উপকূলের দিকে যাচ্ছে। মঙ্গলবার (৪ ডিসেম্বর) উপকূলে আঘাত হানতে পারে। এর প্রভাবে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি হতে পারে, কমতে পারে তাপমাত্রাও। ফলে
দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউম’ আরও উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় (১৩.৩ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮১.১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশ) অবস্থান করছে বলে