মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে। এই অবস্থায় আগামী তিন দিন দেশের বেশকিছু অঞ্চলে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে
রাজধানীসহ সারাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গত দুই দিন ধরে কোথাও অল্প আবার কোথাও মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে। বিরতিহীন বৃষ্টিপাতের ফলে দেশের অনেক জায়গা পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় বন্যার আশঙ্কাও করা হচ্ছে। এমন
রাজধানী ঢাকায় বৃষ্টি হয়েছে গতকাল থেকে। রাতভর হয়েছে বৃষ্টি। বুধবার বিকেল থেকে টানা বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে বিভিন্ন সড়ক ও এলাকায়। আজ বৃহস্পতিবার সকালেও বৃষ্টি হচ্ছে রাজধানীতে। এর ফলে দুর্ভোগে
প্রকৃতিতে এখন শীতের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন এলাকায় দিনে বা রাতে ঝরছে বৃষ্টি, যদিও গরম যেন কাটছে না। তবে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে কমে আসবে বলে জানিয়েছে
টানা দুই মাস প্রচণ্ড খরা এবং তাপপ্রবাহের পর পঞ্চগড় জেলায় বৃষ্টিপাত শুরু হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে মানুষের মাঝে। গত ৩ দিন ধরে বিরামবিহীনভাবে বৃষ্টি হওয়ায় মানুষজন তেমন ঘর থেকে বের হতে
দিন যতই যাচ্ছে ঢাকার বাতাসে ধরনের গ্যাসের স্তর তৈরির বিষয়টি স্পষ্ট হচ্ছে। ময়লার ভাগাড়, ইটভাটা, যানবাহনও শিল্পকারখানার ধোঁয়া থেকে এসব গ্যাস তৈরি হচ্ছে, যা ঢাকার বাতাস ও মাটিকে আরও উষ্ণ
তীব্র গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই সুখবর দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী সোমবারের মধ্যে বঙ্গোপসাগর এলাকায় একটি লঘুচাপ তৈরি হতে পারে। এর প্রভাবে আগামী পাঁচ দিন বৃষ্টিপাতের
দুই দিনের প্রচণ্ড গরমের পর শনিবার রাজধানীতে শুরু হয়েছে বৃষ্টি। সকাল থেকে আকাশ ছিল মেঘাচ্ছন্ন, বেলা গড়ার সঙ্গে সঙ্গে কালো মেঘে ছেয়ে যায় রাজধানীর আকাশ। বেলা ১১টার দিকে নামে স্বস্তির
দেশজুড়ে বৃষ্টির পরিমাণ কমে এসেছে দুই দিন ধরে। তবে বৃহস্পতিবার তিন বিভাগের অধিকাংশ স্থানে বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। তবে বৃষ্টি হলেও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বয়ে যাওয়া তাপপ্রবাহ কমার সম্ভাবনা তেমন নেই,
বৃষ্টিপাতের দাপট কিছুটা কমে সূর্য উঁকি দেয়ায় বেড়েছে তাপমাত্রা। তবে নতুন করে দুঃসংবাদ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বর্ধিত ৫ দিনে আবারও বাড়তে পারে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা। পাশাপাশি আগামী ৩ দিন দেশের কোথাও