শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
১৪০ অবৈধ অভিবাসীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠাল মালয়েশিয়া মালয়েশিয়ার জহুর বাহরুতে শুরু হয়েছে হাইকমিশনের কনস্যুলার সেবা মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খোলার আগেই বিভ্রান্তি: সরকারি তথ্যের ঘাটতিতে দালাল-এজেন্সির দাপট বাংলাদেশি দুবাই প্রবাসী বিগ টিকিটে ১ লক্ষ দিরহাম জিতেছেমোহাম্মদ মনির উদ্দিন মান্না ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ তারেক আনন্দের কথায় অবন্তী সিঁথি-তামিমের গান রেমিট্যান্স যোদ্ধারা বারবার দেশপ্রেমের প্রমাণ দিয়েছেন, কিন্তু আর কতো অবহেলা ? নরসিংদীর শিবপুরে শীতলক্ষ্যায় গোসলে নেমে ৪ জন নিখোঁজ ৩ দিনের সরকারি সফরে হালুয়াঘাট যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার রাষ্ট্রপতির ছেড়ে দেওয়া আসনে উপ-নির্বাচন ২৯ অক্টোবর : ইসি সচিব

মালয়েশিয়ায় ৪১ হাজার ৫৯৬ অবৈধ অভিবাসী আটক

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬
  • ৩৭ বার

মালয়েশিয়ায় চলতি বছরের ১৫ জুলাই পর্যন্ত দেশব্যাপী পরিচালিত ৭ হাজার ১০৫টি অভিযানে ৪১ হাজার ৫৯৬ অভিবাসীকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ (জেআইএম)। একই সময়ে ৯৬ হাজার ৯৯৪ জনের কাগজপত্র ও পরিচয় যাচাই করা হয়েছে।
সোমবার (২৭ জুলাই) হারিয়ান মেট্রোর”র এক প্রতিবেদনে বলা হয়, রবিবার ক্লাংয়ের কাপার বেস্টারি শিল্পাঞ্চলে সমন্বিত আইন প্রয়োগ অভিযান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশনের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান।
তিনি বলেন, মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালানবিরোধী আইন ২০০৭ (এটিপসম) এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন (এএমএলএ)-এর আওতায় আইন প্রয়োগ আরও জোরদার করা হবে, যাতে ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩ কঠোরভাবে বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা যায়।
জাকারিয়া বলেন, আইনে প্রদত্ত সব ধরনের ক্ষমতা ব্যবহার করে অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যারা এখনও আইনের বাইরে থেকে অপরাধ চালিয়ে যাচ্ছে, তাদের জন্য এটি একটি কঠোর বার্তা।
তিনি আরও বলেন, অবৈধ অভিবাসন-সংক্রান্ত অপরাধকে দেশের জন্য একটি ‘ক্যানসার’ বা মারাত্মক সমস্যা হিসেবে দেখতে চাই না। তাই কোনো ধরনের আপস ছাড়াই কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এদিকে, ক্লাংয়ের কাপার বেস্টারি শিল্পাঞ্চলের দুটি ইলেকট্রনিক বর্জ্য (ই-বর্জ্য) প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানায় পরিচালিত সমন্বিত অভিযানে ২০ থেকে ৪৫ বছর বয়সী ৫৮ অভিবাসীকে আটক করা হয়েছে।
জাকারিয়া জানান, স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় শুরু হওয়া এ অভিযানে ইমিগ্রেশন বিভাগের পাশাপাশি শ্রম বিভাগ এবং পরিবেশ বিভাগ-এর মোট ৭৭ জন কর্মকর্তা ও সদস্য অংশ নেন।
তিনি বলেন, আটক ব্যক্তিরা বৈধ পরিচয়পত্র বা প্রয়োজনীয় নথি তাৎক্ষণিকভাবে দেখাতে পারেননি। ধারণা করা হচ্ছে, তাদের কাগজপত্র নিয়োগকর্তার কাছে রাখা হয়েছে। এ কারণে তাদের আপাতত আটক রেখে নিয়োগকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রত্যেকের বৈধ অবস্থান যাচাই করা হবে।
ইমিগ্রেশন মহাপরিচালক জানান, অভিযানে দেখা গেছে কারখানাগুলোতে ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরা (সিসিটিভি) স্থাপন করা হয়েছে। এসব ক্যামেরার মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হতো। কর্মকর্তাদের উপস্থিতি টের পেলেই শ্রমিকদের লুকিয়ে পড়া বা পালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া ছিল তাদের সাধারণ কৌশল (মোডাস অপারেন্ডি)।
তিনি বলেন, এ ধরনের কৌশল ইমিগ্রেশন বিভাগের অভিযানে প্রায়ই দেখা যায় এবং এ বিষয়ে আরও কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories