মালয়েশিয়ার জহুর বাহরুতে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন কনস্যুলার সেবা কার্যক্রম চালু রেখেছে বাংলাদেশ হাইকমিশন। জহুর বাহরুর অগ্রণী রেমিট্যান্স হাউজে এসব সেবা দেওয়া হচ্ছে। আজ শনিবার থেকে শুরু হওয়া আগামীকাল রবিবারও নির্ধারিত স্থানে কনস্যুলার সেবাগুলো অব্যাহত থাকবে।
বাংলাদেশ হাইকমিশন সূত্রে জানা গেছে, জহুর বাহরুর অগ্রণী রেমিট্যান্স হাউজে প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রয়োজনীয় বিভিন্ন কনস্যুলার সেবা দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে ই-পাসপোর্ট আবেদন, ট্রাভেল পারমিট (টিপি), একই ব্যক্তি মর্মে পাসপোর্টের রেফারেন্স বা এপিডি পত্র, লেটার অব ইন্ট্রোডাকশন এবং বিভিন্ন নথি সত্যায়নসহ প্রয়োজনীয় সেবা।
বিশেষ করে যেসব বাংলাদেশি নাগরিকের পাসপোর্ট সংক্রান্ত জটিলতা রয়েছে কিংবা জরুরি প্রয়োজনে দেশে ফেরার জন্য ভ্রমণসংক্রান্ত কাগজপত্র প্রয়োজন, তাদের জন্য ট্রাভেল পারমিটসহ সংশ্লিষ্ট সেবা গুরুত্বপূর্ণ। একইভাবে পাসপোর্টের তথ্যের সঙ্গে পরিচয়-সংক্রান্ত সামঞ্জস্য নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় এপিডি পত্র এবং বিভিন্ন দাপ্তরিক কাজে ব্যবহারের জন্য লেটার অব ইন্ট্রোডাকশন ও নথি সত্যায়নের সুযোগও থাকছে।
হাইকমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জহুর বাহরু ও আশপাশের এলাকায় বসবাসরত বাংলাদেশিরা আগামীকালও অগ্রণী রেমিট্যান্স হাউজে গিয়ে এসব কনস্যুলার সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। এতে কুয়ালালামপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনে যাওয়ার প্রয়োজন না থাকায় জহুর ও আশপাশের রাজ্যে বসবাসরত প্রবাসীদের সময় ও যাতায়াত খরচ কমবে।
কনস্যুলার সেবা নিতে আগ্রহী প্রবাসীদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে নিয়ে নির্ধারিত স্থানে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। সেবা গ্রহণের আগে সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র ও প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে হাইকমিশনের নির্দেশনা অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
জহুর বাহরুতে সেবা কার্যক্রমের স্থান অগ্রণী রেমিট্যান্স হাউজ, জালান ওং আহ ফুক, বান্দার জহুর বাহরু, ৮০০০০, জহুর বাহরু, জহুর। সেখানে আগামীকালও ট্রাভেল পারমিট, এপিডি পত্র, লেটার অব ইন্ট্রোডাকশন, সত্যায়নসহ বিভিন্ন কনস্যুলার সেবা চলবে।
প্রবাসীদের সুবিধার্থে হাইকমিশনের এ ধরনের সেবা কার্যক্রমকে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। জহুরসহ মালয়েশিয়ার বিভিন্ন রাজ্যে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি বসবাস ও কর্মরত রয়েছেন। দূরবর্তী এলাকার প্রবাসীদের কাছে সরাসরি কনস্যুলার সেবা পৌঁছে দিতে এ ধরনের কার্যক্রম নিয়মিত আয়োজন করা হলে ভোগান্তি আরও কমবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
Leave a Reply