বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসের পর গ্যাস সরবরাহ বেড়েছে: মাহ্দী আমিন একনেকে অনুমোদন পেল ৩ মেট্রোরেল প্রকল্প নতুন নামে যাত্রা শুরু করল র‍্যাব চীনসহ এশিয়ার দেশগুলোতে স্বাস্থ্য সহযোগিতা জোরদারে ৪ অগ্রাধিকার তুলে ধরলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী তথ্য মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ নগরবাসীর প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় ১৩ সিটি কর্পোরেশনে ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা শুরু, উঠছে ৬৫ হাজার কোটি টাকার ১৬ প্রকল্প চালু হচ্ছে বৈদ্যুতিক ট্রেন, একনেকে উঠছে ৬৫ হাজার কোটির ১৬ প্রকল্প জবাবদিহি নিশ্চিত করতে সরকারি অফিসে ডিজিটাল হাজিরার নির্দেশ দুর্নীতি প্রতিরোধ ও দেশের উন্নয়নে সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন : পরিবেশ মন্ত্রী

সুদানের আদালতে সেনাবাহিনীর ড্রোন হামলায় নিহত ৩৫

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩৩ বার

আফ্রিকার দেশ সুদানের উত্তর দারফুর অঞ্চলের ‘গারা আল-জাওয়াইয়া’ গ্রামে ঐতিহ্যবাহী একটি গ্রামীণ আদালতের চত্বরে সেনাবাহিনীর ড্রোন হামলায় অন্তত ৩৫ জন নিহত হয়েছেন। এতে আরো বেশ কয়েকজন বেসামরিক নাগরিক গুরুতর আহত হয়েছেন।
রবিবার (২ আগস্ট) স্থানীয় সময় দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে (বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫টা) উত্তর দারফুর রাজ্যের ‘গারা আল-জাওয়াইয়া’ গ্রামের একটি প্রথাগত আদালতে এ হামলা চালানো হয়। রক্তক্ষয়ী এই সুদান গৃহযুদ্ধে উভয় পক্ষের মানবাধিকার লঙ্ঘনের ওপর নজর রাখা আইনি পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ‘ইমার্জেন্সি লয়ার্স’ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সংস্থাটি জানায়, ঘটনার সময় স্থানীয় বিরোধ ও বিভিন্ন মামলা নিষ্পত্তির জন্য একটি গাছের নিচে গড়ে তোলা ঐতিহ্যবাহী আদালত চত্বরে অসংখ্য সাধারণ মানুষ জড়ো হয়েছিলেন। ঠিক তখনই হঠাৎ আকাশ থেকে বিমান ও ড্রোন হামলা চালানো হয়, যেন আদালত ভবনসংলগ্ন এলাকাটি তছনছ হয়ে যায়।
নিরাপত্তাজনিত কারণে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, নিহতদের মধ্যে স্থানীয় চারজন প্রভাবশালী আদিবাসী নেতা ও আধাসামরিক বাহিনী র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) দুজন কমান্ডারও রয়েছেন। বর্তমানে আক্রান্ত গ্রামটি আরএসএফ বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
গারা আল-জাওয়ায়া গ্রামটি কাবকাবিয়া শহরের কাছে এবং দারফুর অঞ্চলের সাবেক সেনাগাঁটি আল-ফাশের থেকে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত। দীর্ঘ রক্তক্ষয়ী অভিযানের পর গত বছরের অক্টোবরে আরএসএফ এই এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয়।
জাতিসংঘের মানবাধিকার তদন্তকারীদের মতে, আল-ফাশের দখলের সময় আরএসএফের চালানো হামলায় ‘গণহত্যার স্পষ্ট আলামত’ পরিলক্ষিত হয়েছিল।
২০২৩ সালের এপ্রিলে সেনাপ্রধান জেনারেল আবদেল ফাত্তাহ আল-বুরহান ও তার সাবেক মিত্র আরএসএফ প্রধান মোহাম্মদ হামদান দাগালোর মধ্যে রাজনৈতিক ক্ষমতার দ্বন্দ্ব থেকে এই পূর্ণাঙ্গ গৃহযুদ্ধের সূত্রপাত হয়।
দীর্ঘ তিন বছরের বেশি সময় ধরে চলা এই সহিংসতায় এরই মধ্যে লক্ষাধিক মানুষ নিহত হয়েছেন। দারফুর অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের কবজায় নেওয়ার পর থেকে উভয় পক্ষই ব্যাপকভাবে ‘ড্রোন যুদ্ধের’ ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে।
জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসেই উভয় পক্ষের ড্রোন হামলায় ১ হাজারের বেশি নিরীহ বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন।
এই সংঘাত কোটি কোটি মানুষকে বাস্তুচ্যুত করে আধুনিক বিশ্বের অন্যতম কঠিন মানবিক সংকটে রূপ নিয়েছে।
সূত্র : দ্য নিউআরব

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories