মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ০৯:১৩ অপরাহ্ন

শিশু হাম আক্রান্ত হলে কী খাওয়াবেন, কী খাওয়ানো যাবে না, জানালেন পুষ্টিবিদ

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৮ বার
শিশু হাম আক্রান্ত হলে কী খাওয়াবেন, কী খাওয়ানো যাবে না, জানালেন পুষ্টিবিদ

সাম্প্রতিক দেশের বিভিন্ন জেলায় হামে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা। রোগটি প্রতিরোধযোগ্য হলেও এতে আক্রান্ত হওয়ার পর বিভিন্ন জটিলতার মুখে পড়তে হয় শিশুদের। এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। তবে এর টিকা নেয়ার পর কিছুটা সুরক্ষিত থাকা যায়। এ অবস্থায় রোগটি ক্রমশ ছড়িয়ে পড়ার খবরে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ছেন অভিভাবকরা।
হাম একটি ভাইরাসজনিত সংক্রামক। এটি হাঁচি ও কাশির মাধ্যমে ছড়ায়। আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহার করা জিনিসপত্র থেকেও ছড়িয়ে থাকে। সাধারণত জ্বর, হাঁচি, কাশি, চোখ লাল হওয়া, নাক দিয়ে পানি পড়া এবং মুখে, ঘাড়ে ও শরীরের বিভিন্ন অংশে লাল ফুসকুড়ি বা র‌্যাশ দেখা দিয়ে থাকে। হাম হলে আতঙ্কিত না হয়ে সঠিক পরিচর্যা ও রোগ-প্রতিরোধ করে এমন সব খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন রাজধানীর পপুলার মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের বিভাগীয় প্রধান ও প্রধান পুষ্টিবিদ নিশাত শারমিন নিশি।
হাম আক্রান্ত রোগীর খাদ্যতালিকা কেমন হওয়া উচিত, এ ব্যাপারে চ্যানেল 24 অনলাইনের সঙ্গে আলাপকালে পুষ্টিবিদ নিশাত শারমিন নিশি বলেন―
শিশুরা হামে আক্রান্ত হলে প্রথমেই তাদের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর দিকে খেয়াল রাখতে হবে। এ ক্ষেত্রে খাদ্যতালিকায় বিশেষ নজর দেয়া উচিত। শিশুদের খাবারের মধ্যে উষ্ণ গরম স্যুপ খাওয়াতে পারেন। স্যুপে অল্প পরিমাণ মুরগির মাংস ও ডিমের সাদা অংশ রাখতে পারেন। এটি অনেক উপকারে আসবে শিশুর। এতে কোনো মশলা ব্যবহার না করাই শ্রেয় হবে।
সাধারণত প্রোসেসড মশলাগুলো স্বাভাবিকভাবেই ভালো হয়ে থাকে না। এ অবস্থায় হামে আক্রান্ত হলে প্রোসেসড ফুড বাদ দিতে হবে। অনেক অভিভাবকই মনে করেন, সন্তান তো কিছু খাচ্ছে না, একটি চিপস খেতে চাচ্ছে, তাহলে দেই। অভিভাবকদের এমন করা উচিত হবে না। চিপস দেয়া হলে সন্তানের আরও বেশি ক্ষতি হতে পারে বলে জানালেন তিনি।

এ পুষ্টিবিদ আরও জানান, অনেক সময় প্রাপ্তবয়স্ক কেউ হামে আক্রান্ত হলে কিছু খেতে না পারলে অনেক সময় তারা চা-কফি পান করতে চান। তারা মনে করেন, হয়তো চা-কফি পানের পর ভালো লাগবে। এসব একদমই অনুচিত। এ ধরনের খাবার খাওয়ার পর জটিলতা বৃদ্ধির সম্ভাবনা থাকে।
হাম আক্রান্ত হলে খাদ্যতালিকায় ডাবের পানি রাখার কথা উল্লেখ করে পুষ্টিবিদ নিশাত শারমিন নিশি বলেন, ডাবের পানির পাশাপাশি ফলমূল এবং ফলের জুস রাখতে হবে। তবে সেই জুস ঘরোয়া উপায়ে তৈরি করতে হবে। তাতে যেন কোনো ধরনের কৃত্রিম কিংবা রাসায়নিক উপাদান না মেশানো হয়। প্রয়োজনে অল্প পরিমাণ চিনি যোগ করতে পারেন। এ সময় ক্যালোরির বাড়তি চাহিদা থাকে। ডায়াবেটিস সংক্রান্ত সমস্যা না থাকলে চিনি খাওয়া যাবে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories