সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ১২:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :

তেঁতুলিয়ায় আজও তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির ঘরে

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ২৪ বার

দেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে শীতের তীব্রতা ক্রমেই বাড়ছে। টানা চারদিন ধরে তেঁতুলিয়া উপজেলায় দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরেই আছে। আগামী ২ থেকে ৩ দিনের মধ্যে তাপমাত্রা এক অংকের ঘরে গিয়ে দাঁড়াবে এমন পূর্বাভাস রয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তরের কাছে।
মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস যাতে বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৬ শতাংশ।
সোমবার সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ১০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন ছিল। যদিও আজ ঘন কুয়াশা নেই, ভোরে হালকা কুয়াশা দেখা গেছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোদ উঠলে মানুষের কিছুটা দুর্ভোগ কমতে থাকে। সোমবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ২৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তার আগের দিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে হিমেল বাতাসে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছে দিনমজুর ও শ্রমজীবী মানুষ। ভোরের হাড়কাঁপানো ঠাণ্ডা উপেক্ষা করে মাঠে-ঘাটে রোজগারের জন্য ছুটে চলা তাদের জন্য ক্রমেই কষ্টকর হয়ে উঠছে। শীত বাড়ায় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগও বেড়েছে কয়েকগুণ। রাস্তাঘাট, বাড়ির সামনে, চা-স্টলের পাশে খড়কুটো জ্বালিয়ে অনেকে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষদের ঠাণ্ডা আর কুয়াশার সঙ্গে লড়াই করেই দিন কাটাতে হচ্ছে।
সদর উপজেলার হাড়িভাসা এলাকার দিনমজুর হরেকমাল সাইকেলে করে বিক্রি করা সবর আলী বলেন, ভোরে কাজের জন্য বের হইতে গেলেই হাত-পা বরফের মতো ঠাণ্ডা লাগে। কাজেও ঠিকমতো মন বসে না।
হোটেল শ্রমিক রাজু বলেন, সকালে কুয়াশার ভেতর কাজে আসতে খুব সমস্যা হয়। শীতে হাত-পা বরফের মতো জমে আসে।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় জানান, গত ৬ দিন ধরে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির ঘরে ঘোরাফেরা করছে। ডিসেম্বরের শুরুতেই এমন আবহাওয়া বিরাজ করায় সামনের দিনগুলোতে শৈত্যপ্রবাহ আরও জোরদার হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক কাজি সায়েমুজ্জামান বলেন, ইতিমধ্যে জেলার শীত কবলিত মানুষের মাঝে ৩০ লাখ টাকার শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। অতিরিক্ত বরাদ্দ চেয়ে মন্ত্রণালয়ে বার্তা প্রেরণ করা হয়েছে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories