ভোর থেকে শিশির ঝরা আর সকালে কুয়াশার চাদরে মোড়ানো গ্রামীণ আবহ। সূর্যের আলোক ছটা আর দুর্বাঘাসে জমাট বাঁধা মুক্ত দানা সিগ্ধ সকাল জানান দিচ্ছে হেমন্তকাল। এমন অপূর্ব দৃশ্য হিমালয়ের পাদদেশ ঘেঁষা ঠাকুরগাঁওসহ উত্তরের জনপদে।
ভোর থেকে টুপটাপ শব্দে ঝরছে শিশির বিন্দু আর দুর্বাঘাসে ডগায় মুক্তো দানার মতো জ্বল জ্বল করছে শিশির। শিশির বিন্দু যেন প্রকৃতির জমিনে টিপ পরিয়ে দিয়েছে। ভোর থেকে সকাল কুয়াশার আবহের গ্রামাঞ্চলের পথ-ঘাট। পাখির কলকাকলী আর সোনা মাখা রোদ যেন বলে দিচ্ছে হেমন্তের বার্তা।
এদিকে, শীতের আগমনী বার্তা কিছুটা শঙ্কায় ফেলেছে খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষকে। শীতে অসহায়, দুঃস্থ মানুষ যাতে কষ্ট না পায়, সেজন্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগের দাবি স্থানীয়দের।
হেমন্তের হাত ধরেই আসে শীত। তাই প্রকৃতিতেও ফুটে উঠেছে নানা বৈচিত্র। নানা রঙের ফুলে ফুলে ভরে গেছে এক অপরূপ সৌন্দর্যে। প্রকৃতি প্রেমী, শিশু-বৃদ্ধরাও এই সৌন্দর্য উপভোগ করতে পিছিয়ে নেই। সেই টানে ছুটে আসছেন অনেকেই।
তরুণ কবি আজাহার রাজা বলছেন- জলবায়ু পরিবর্তনে দিন দিন নিজস্ব স্বকীয়তা হারিয়ে ফেলছে চিরচেনা হেমন্ত। ভাটা পড়েছে উৎসবেও। তাই ঐশ্বর্যের এই ঋতুকে ধারণ করে মনজগতের চর্চা বাড়ানোর আহ্বান তরুণ এই কবির।
ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক ইশরাত ফারজানা জানান, শীত মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের রয়েছে আগাম প্রস্তুতি।
ষড় ঋতুর দেশ বাংলাদেশ। এই দেশে প্রতিটি ঋতুতেই হয় উৎসব। আর এসব উৎসবকে ঘিরে ফিরে পায় বাঙ্গালী আনা। একে অপরের সেতু বন্ধন। তাই সব ঋতুতে আনন্দে উৎসবে মেতে উঠুক আমাদের শহর আর গ্রামাঞ্চল- এমন প্রত্যাশা সবার।
Leave a Reply