শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ট্রিলিয়ন অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাগেরহাটের মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নে নতুন প্রকল্পের উদ্বোধন মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী এআই যেন দেশের বেকারত্ব আরও প্রকট না করে, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি লংমার্চে গ্যাস-বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান হলে আমরাই করতাম: মীর শাহে আলম এইচএসসিতে এক-দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ২ ডিসেম্বর শুরু: শিক্ষামন্ত্রী গাজীপুরে কলকারখানায় স্বস্তি, কাজে ফিরছেন শ্রমিকেরা ২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ, প্রজ্ঞাপন জারি বগুড়ার নন্দীগ্রামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

অপারেশন সিঁদুর’ প্রসঙ্গ আবার সামনে আনলো ভারত, দিলো নতুন তথ্য

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫
  • ৮৪ বার

তিন মাস আগে পাকিস্তানের সঙ্গে সংঘাতে জড়ায় ভারত। পেহেলগামে বন্দুকধারীদের হামলায় ২৬ পর্যটক নিহতের ঘটনার জেরে নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে পাকিস্তানে ‘অপারেশন সিঁদুর’ অভিযান চালালে সংঘর্ষ শুরু হয় দু’পক্ষের মধ্যে। সংঘাতের পর থেকে মাঝে মধ্যেই ওই অপারেশনের প্রসঙ্গ টেনে আনে ভারত।
এবার এনডিটিভির প্রতিরক্ষা শীর্ষ সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে দেশটির বিমানবাহিনীর উপপ্রধান এয়ার মার্শাল নর্মদেশ্বর তিওয়ারি ‘অপারেশন সিঁদুর নিয়ে কথা বলেছেন। তিনি বলেন, ‘পাকিস্তানকে যুদ্ধবিরতি টেবিলে আনতে ভারতীয় বিমানবাহিনী ৫০টিরও কম অস্ত্র নিক্ষেপ করেছে।’
এ সময় তিনি ওই অভিযানের নতুন দৃশ্য এবং বিবরণ তুলে ধরেন। নর্মদেশ্বর তিওয়ারি বলেন, ‘যুদ্ধ শুরু করা খুবই সহজ, কিন্তু শেষ করা যথেষ্ট সহজ নয় এবং এটি মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ, যাতে আমাদের বাহিনীকে সক্রিয় করা যায় এবং তারা যে কোনো সম্ভাব্য পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকে।’প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ৭ মে, নিয়ন্ত্রণ রেখাজুড়ে (এলওসি) চার দিনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, ড্রোন অনুপ্রবেশ এবং কামান যুদ্ধের পর, ভারত ও পাকিস্তান ১০ মে সন্ধ্যা থেকে স্থল, আকাশ এবং সমুদ্রে সমস্ত সামরিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে সম্মত হয়।
ইসলামাবাদ শুরু থেকেই দাবি করে আসছে, পাল্টা হামলায় তারা ভারতের অত্যাধুনিক রাফায়েলসহ বেশ কয়েকটি যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছে। এমন দাবি জানানোর পর ভারতের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য না আসলেও জ্যেষ্ঠ সরকারদলীয় রাজনীতিবিদ এবং জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তারা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যুদ্ধবিমান হারানোর বিষয়টি শিকার করেন।
অন্যদিকে ভারত শুরুর দিকে পাকিস্তানের সামরিক ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে তেমন কোনো দাবি না করলেও সংঘাতের কয়েক মাস পর তারা দাবি করে যে ৫টি যুদ্ধবিমান এবং একটি সামরিক পরিবহন বিমান ধ্বংস করেছে তারা। তবে এমন দাবিকে অস্বীকার করে পাকিস্তান। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মোহাম্মদ আসিফ ভারতীয় বিমান বাহিনীর প্রধানের এই দাবিকে ‘মিথ্যা, হাস্যকর ও সত্য থেকে বহু দূরে’ বলে অভিহিত করেন।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories