শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাংলাদেশি যাত্রীদের ৯৬ ঘণ্টার দুবাই ভিসা দিচ্ছে এমিরেটস কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর চট্রগ্রামের সীতাকুণ্ডে শিপইয়ার্ডে বিষাক্ত গ্যাসে ৫ শ্রমিকের মৃত্যু ইজারাদারকে থাপ্পড় মারা ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার রাজশাহী বিভাগের সব জেলা ও মহানগর নেতাদের সঙ্গে বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর অভিবাসী শ্রমিক অধিকারকর্মী অ্যান্ডি হলকে ৫ লাখ রিঙ্গিত জরিমানা মালয়েশিয়ার হাইকোর্টের রাজধানীর শাহবাগে চালু হলো আধুনিক স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিগন্যাল ক্রেতা-বিক্রেতা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে এক ছাদের নিচে নিয়ে আসাই উদ্দেশ্যে আইসিসিবিতে সেপ্টেম্বর থেকে ‘সুপার সেল কার বাজার হঠাৎ ব্যাটিং ধসের মুখে বাংলাদেশ টঙ্গীতে দেশীয় অস্ত্রসহ দুই ছিনতাইকারী গ্রেফতার

পলাশে ভুয়া খাজনার রশিদে দলিল রেজিস্ট্রির চেষ্টা, সাব-রেজিস্ট্রারের তৎপরতায় ধরা পড়ল জালিয়াতি

নরসিংদী প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬
  • ১ বার

নরসিংদীর পলাশ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে কিউআর কোডযুক্ত ভুয়া খাজনার রশিদ ব্যবহার করে দলিল রেজিস্ট্রির চেষ্টা করার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। সাব-রেজিস্ট্রার মিজানুর রহমানের (Mizanur Rahman) তৎপরতায় জালিয়াতির বিষয়টি ধরা পড়ে। পরে অফিসের এক সহকারী বাদী হয়ে মামলা দায়ের করলে পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, দলিল রেজিস্ট্রির সময় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাইয়ের একপর্যায়ে খাজনার রশিদ নিয়ে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই করে সাব-রেজিস্ট্রার মিজানুর রহমান ভুয়া রশিদের বিষয়টি শনাক্ত করেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে অভিযুক্তকে পুলিশের কাছে হস্তান্তরের ব্যবস্থা করেন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, বর্তমান সময়ে কিউআর কোডযুক্ত খাজনার রশিদ জালিয়াতি শনাক্ত করা আগের তুলনায় অনেক বেশি জটিল। কারণ জালিয়াত চক্র অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে এমন ভুয়া রশিদ তৈরি করছে, যা কিউআর কোড স্ক্যান করলে অনেক ক্ষেত্রে প্রকৃত রশিদের মতোই তথ্য প্রদর্শন করতে পারে। ফলে শুধু কিউআর কোড স্ক্যান করে রশিদটি আসল না ভুয়া-তা নিশ্চিত করা সবসময় সম্ভব হয় না।
অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন প্রযুক্তিগত কৌশল ও প্রক্সি সার্ভার ব্যবহার করে একটি চক্র ভুয়া খাজনার রশিদ তৈরি করছে। এসব জালিয়াতির পেছনে মূল উদ্দেশ্য হতে পারে বিপুল পরিমাণ সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া কিংবা সরকারি খাস ও অর্পিত সম্পত্তি কৌশলে দলিলের মাধ্যমে হস্তান্তরের সুযোগ তৈরি করা। এ ধরনের জালিয়াতি সফল হলে একদিকে সরকার বিপুল রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হতে পারে, অন্যদিকে প্রকৃত মালিকানা নিয়েও জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories