যমুনা নদীর ত্রাস সালাম বাহিনী’র চাঁদাবাজি, অপহরণ ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
(১৪ আগষ্ট ২০২৬), শুক্রবার সকাল ১০টায় বেলকুচি উপজেলার বড়ধুল ইউনিয়নের ক্ষিদ্রচাপিয়া হাওয়া ভবন এলাকায় যমুনার দুর্গম চরাঞ্চলবেষ্টিত বেলকুচি উপজেলা, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা ও চৌহালী উপজেলার চরবেল, পুংলি, কাকুয়া, জাঙ্গালিয়া, কলাবাগান ও মহেষপুরের নৌযান মালিক-কর্মচারীবৃন্দের আয়োজনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সালাম বাহিনীর সঙ্গীয় রুবেল, কাওছার আলম, মাসুদ হাবিব দীর্ঘদিন ধরে সিরাজগঞ্জ-ঢাকা নৌপথে সকল প্রকার ভলগেট, নৌকা, স্থানীয় নৌযানে বেপরোয়া চাঁদাবাজি, অপহরণ, মারধর ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। আজ সালাম বাহিনী থেকে রক্ষা পেতে আজ আমরা নৌযান মালিক ও কর্মচারীবৃন্দ মানববন্ধনে দাড়িয়েছি।
বক্তারা আরও বলেন, অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে সালাম বাহিনীর সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে রুবেল, কাওছার আলম, মাসুদ হাবিবসহ সংশ্লিষ্ট সকলের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ তদন্ত করে সত্যতা অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা দ্রুত গ্রহণ করুন । চাঁদাবাজি বন্ধ করো সন্ত্রাস বন্ধ করতে হবে যমুনার নৌপথ নিরাপদ করতে হবে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জোর হস্তক্ষেপ কামনা করে বক্তারা সরকারের কাছে বিভিন্ন দাবী উপস্থাপিত করেন। দাবীগুলো হল- সিরাজগঞ্জ-ঢাকা নৌপথে চাঁদাবাজি বন্ধ ও অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবি করতে হবে। যমুনার দুর্গম চরাঞ্চলবেষ্টিত নৌপথে সকল প্রকার সন্ত্রাসী কার্যক্রম বন্ধ করে নৌযান চলাচল নিরাপদ করতে হবে। বেপরোয়া চাঁদাবাজি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। নৌযানে কর্মচারীদের অপহরণ, মারধর ও সন্ত্রাসী হামলার নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে। অভিযোগে অভিযুক্ত সকল ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনতে হবে। যমুনার নৌপথে সশস্ত্র সন্ত্রাসী তৎপরতা বন্ধ করতে হবে। নৌযান শ্রমিক ও সাধারণ যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
আবু সাইদের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন ইউসুফ মোল্লা, কছির উদ্দিন, সুমন ও বক্কার মোল্লা প্রমুখ। মানববন্ধনে ২৭ গ্রামের হাজার হাজার নারী-পুরুষ উপস্থিত ছিলেন।
Leave a Reply