মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসিতে জামায়াতের ৯ দফা দাবি শুধু বহুদলীয় গণতন্ত্রই নয়, সংসদীয় গণতন্ত্রও বিএনপির হাত ধরে এসেছে: প্রধানমন্ত্রী বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বাবা-মায়ের কবরে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা সরকার বসে নেই, দ্রুত সব সংকটের সমাধান হবে: রিজভী নবম জাতীয় বেতন স্কেল ১ জুলাই থেকে কার্যকর : নাসিমুল গনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবকে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের ফুলেল শুভেচ্ছা শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালে দুর্ঘটনায় বিমানবাহিনীর ৩ সদস্য নিহত বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক অতীতে আটকে থাকার সুযোগ নেই: দীনেশ ত্রিবেদী আগামী রমজানের সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ মমতা ব্যনার্জির ভাইঝির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

ভারতের ‘সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাটার হবে’, ২১ বলে ৭ ছক্কা হাঁকানো কে এই মুকুল

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩৬ বার

কলকাতা নাইট রাইডার্সের (কেকেআর) বিপক্ষে ইডেন গার্ডেন্সে স্মরণীয় এক ইনিংস খেলেছেন লখনৌ সুপার জায়ান্টসের ব্যাটার মুকুল চৌধুরী। বৃহস্পতিবারের (৯ এপ্রিল) ম্যাচে তিনি মাত্র ২৭ বলে অপরাজিত ৫৪ রান করেন, যেখানে ছিল দুটি চার ও সাতটি ছক্কা। এর মধ্যে শেষ ২১ বলেই আসে সবগুলো ছক্কা। তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ১৮২ রানের লক্ষ্য তাড়া করে শেষ বলে জয় তুলে নেয় লখনৌ।
এই অসাধারণ ইনিংসের পরই আলোচনায় উঠে আসেন মুকুল। ম্যাচ শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে লখনৌ দলের প্রধান কোচ জাস্টিন ল্যাঙ্গারের একটি মন্তব্য। এক ভিডিওতে তিনি মুকুলকে উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন, তাকে তিনি ভারতের ‘সবচেয়ে ভয়ংকর ৬ বা ৭ নম্বর ব্যাটার’ হিসেবে গড়ে তুলবেন।
ম্যাচ শেষে ‘প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ’ হওয়া মুকুল চৌধুরী জানান, তার একমাত্র লক্ষ্য ছিল শেষ পর্যন্ত উইকেটে টিকে থাকা। তিনি বলেন, ‘আমার লক্ষ্য ছিল শেষ পর্যন্ত ব্যাট করা এবং তারপর দেখা কী হয়। এটা ছিল আমার মাত্র দ্বিতীয় ম্যাচ। ঈশ্বর আমাকে এই সুযোগ দিয়েছেন। চাপ থাকতেই পারে, তবে এটি নিজের নাম তৈরি করারও সুযোগ।
চাপের মুহূর্তে দারুণ মানসিক দৃঢ়তা দেখান তিনি। ইনিংসের শেষ দিকে গুরুত্বপূর্ণ ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন, যার মধ্যে শেষ ওভারে দুটি ছক্কা ছিল বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
নিজের ক্রিকেট যাত্রা সম্পর্কেও কথা বলেন মুকুল। তিনি জানান, ‘আমার বাবা বিয়ের আগেই স্বপ্ন দেখেছিলেন, তার ছেলে ক্রিকেট খেলবে। আমি বয়সভিত্তিক ক্রিকেট দিয়ে শুরু করি, কিন্তু সিকিমে ভালো একাডেমি ছিল না। তাই দিল্লি ও গুরুগ্রামে গিয়ে ম্যাচ খেলেছি, যা আমাকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায়ে উত্তরপ্রদেশের বিপক্ষে একটি কম রানের ম্যাচে আমি ভালো পারফর্ম করেছিলাম। তখনই সবাই বুঝেছিল আমি বড় কিছু করতে পারি।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories