শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৩:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ধর্ষন মামলার অভিযুক্তকে গ্রেফতারের দাবীতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ টঙ্গীতে মাদক সম্রাজ্ঞী কারিমা গ্রেপ্তার ফ্যাসিস্ট সরকারের অপশাসন-দুর্নীতির জঞ্জাল দূর করার দায়িত্ব নিয়েছে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তুলতে সরকারের পাশাপাশি নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য : মীর শাহে আলম হোয়াটসঅ্যাপে চ্যাট ব্যাকআপ বা রিস্টোর হচ্ছে না? সহজেই সমাধান করবেন যেভাবে চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে : আন্তঃশিক্ষা বোর্ড টানা বৃষ্টিতে বেড়েছে অধিকাংশ সবজির দাম চোখে সংক্রমণে আক্রান্ত রণবীর কাপুর, ‘রামায়ণ’-এর ট্রেলার উন্মোচনে থাকতে পারেন কালো চশমায় এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশকে ইইউ ও জি৭৭-এর সমর্থন পুনর্ব্যক্ত বন্যার্তদের পুনর্বাসন না হওয়া পর্যন্ত পাশে থাকবে সরকার: অর্থমন্ত্রী

ভারতের ‘সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাটার হবে’, ২১ বলে ৭ ছক্কা হাঁকানো কে এই মুকুল

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩০ বার

কলকাতা নাইট রাইডার্সের (কেকেআর) বিপক্ষে ইডেন গার্ডেন্সে স্মরণীয় এক ইনিংস খেলেছেন লখনৌ সুপার জায়ান্টসের ব্যাটার মুকুল চৌধুরী। বৃহস্পতিবারের (৯ এপ্রিল) ম্যাচে তিনি মাত্র ২৭ বলে অপরাজিত ৫৪ রান করেন, যেখানে ছিল দুটি চার ও সাতটি ছক্কা। এর মধ্যে শেষ ২১ বলেই আসে সবগুলো ছক্কা। তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ১৮২ রানের লক্ষ্য তাড়া করে শেষ বলে জয় তুলে নেয় লখনৌ।
এই অসাধারণ ইনিংসের পরই আলোচনায় উঠে আসেন মুকুল। ম্যাচ শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে লখনৌ দলের প্রধান কোচ জাস্টিন ল্যাঙ্গারের একটি মন্তব্য। এক ভিডিওতে তিনি মুকুলকে উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন, তাকে তিনি ভারতের ‘সবচেয়ে ভয়ংকর ৬ বা ৭ নম্বর ব্যাটার’ হিসেবে গড়ে তুলবেন।
ম্যাচ শেষে ‘প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ’ হওয়া মুকুল চৌধুরী জানান, তার একমাত্র লক্ষ্য ছিল শেষ পর্যন্ত উইকেটে টিকে থাকা। তিনি বলেন, ‘আমার লক্ষ্য ছিল শেষ পর্যন্ত ব্যাট করা এবং তারপর দেখা কী হয়। এটা ছিল আমার মাত্র দ্বিতীয় ম্যাচ। ঈশ্বর আমাকে এই সুযোগ দিয়েছেন। চাপ থাকতেই পারে, তবে এটি নিজের নাম তৈরি করারও সুযোগ।
চাপের মুহূর্তে দারুণ মানসিক দৃঢ়তা দেখান তিনি। ইনিংসের শেষ দিকে গুরুত্বপূর্ণ ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন, যার মধ্যে শেষ ওভারে দুটি ছক্কা ছিল বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
নিজের ক্রিকেট যাত্রা সম্পর্কেও কথা বলেন মুকুল। তিনি জানান, ‘আমার বাবা বিয়ের আগেই স্বপ্ন দেখেছিলেন, তার ছেলে ক্রিকেট খেলবে। আমি বয়সভিত্তিক ক্রিকেট দিয়ে শুরু করি, কিন্তু সিকিমে ভালো একাডেমি ছিল না। তাই দিল্লি ও গুরুগ্রামে গিয়ে ম্যাচ খেলেছি, যা আমাকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায়ে উত্তরপ্রদেশের বিপক্ষে একটি কম রানের ম্যাচে আমি ভালো পারফর্ম করেছিলাম। তখনই সবাই বুঝেছিল আমি বড় কিছু করতে পারি।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories