আটকের পর ডিবি কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছাড়া পেয়েছেন নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী। শুক্রবার (৬ আগস্ট) রাত ১১টার পর তিনি বাসার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। ছাড়া পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চয়নিকা চৌধুরীর স্বামী পরিচালক অরুণ চৌধুরী।
এর আগে, শুক্রবার (৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় একটি বেসরকারি টেলিভিশনের অনুষ্ঠান শেষে বাসায় ফেরার পথে রাজধানীর পান্থপথ থেকে গোয়েন্দা হেফাজতে নেওয়া হয় চয়নিকা চৌধুরীকে।

এদিন রাতেই গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার হারুন-অর-রশীদ সাংবাদিকদের বলেন, রিমান্ডে থাকা পরীমণিসহ বেশ কয়েকজনের জিজ্ঞাসাবাদের তথ্যের ভিত্তিতেই পরিচালক চয়নিকা চৌধুরীকে আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পরিবারের জিম্মায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে। তবে কাজের প্রয়োজনে যে কোন সময় তাকে ডাকা হতে পারে।
চয়নিকা চৌধুরী বাংলাদেশের একজন আলোচিত পরিচালক। ১৯৯৮ সালে বোধ নামের নাটকের স্ক্রিপ্ট রাইটার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন চয়নিকা চৌধুরী।
এরপর ২০০১ সালে ‘শেষ বেলায়’ নাটকের মধ্য দিয়ে নির্মাতার খাতায় নাম লেখান। ‘বিশ্বসুন্দরী’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে চলচ্চিত্র পরিচালক হিসেবে অভিষেক হয় তার। এই সিনেমার নায়িকা পরীমনি। নির্মাতা ও পরিচালক হিসাবে গত ১৭ সেপ্টেম্বর তার ক্যারিয়ারের ২০ বছর পূর্ণ হয়। দেশের প্রথম নারী হিসেবে চয়নিকা চৌধুরীই প্রথম সবচেয়ে বেশি নাটক ও ধারাবাহিক নির্মাণ করেছেন।
নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী পরীমনির কথিত মা হিসেবে পরিচিত। চয়নিকাকে মা বলে সম্বোধন করেন পরীমনি। গত ৯ জুন উত্তরার বোট ক্লাবে পরীমনিকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টা চালানোর অভিযোগ করলে, পরীমনির পাশে দাঁড়ান চয়নিকা চৌধুরী। কিন্তু গত ৪ আগস্ট পরীমনি আটক হওয়ার পর থেকে তিনি নিরব ছিলেন।
Leave a Reply