মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১০:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
টঙ্গীতে অপহরণ করে ২ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবি, ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে প্রাণে রক্ষা টঙ্গীতে বাবা-ছেলে খুন.বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য টঙ্গীতে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত যুবকের মৃত্যু ইউনিয়ন পরিষদ দিয়ে শুরু হচ্ছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শাহবাগে হামলার ঘটনায় ঢাবি প্রশাসনের কাছে ডাকসুর ৬ দাবি যদি নিজের দেশ নিয়ে বেশি অহংকার থাকে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই শত্রুপক্ষ দাঁড়িয়ে যাবে: রিজভী হরমুজ নিয়ে ইরানের প্রস্তাবে অসন্তুষ্ট ট্রাম্প ইরানের নতুন প্রস্তাব: হরমুজ খুললে বা না খুললে— তেলের বাজারে কী হতে পারে? ৫ মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে জামিন শেলটেক আছে এগলাল’স এবিসি চ্যারিটি স্কুলের সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের পাশে

মারা গেলেন চলচ্চিত্রের প্রবীণ অভিনেতা ভরত কাপুর

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩ বার
মারা গেলেন চলচ্চিত্রের প্রবীণ অভিনেতা ভরত কাপুর

মঞ্চ, চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইন্ডাস্ট্রির এক দীর্ঘ অধ্যায়ের অবসান ঘটিয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন বলিউডের প্রবীণ অভিনেতা ভরত কাপুর। সোমবার (২৭ এপ্রিল) মৃত্যু হয়েছে তার। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।সংবাদমাধ্যমের টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভরত কাপুরের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন চলচ্চিত্র নির্মাতা অশোক পণ্ডিত। তিনি গভীর শোক প্রকাশ করে ইনস্টাগ্রামে লিখেছেন, প্রবীণ থিয়েটার ও চলচ্চিত্র অভিনেতা ভরত কাপুরের প্রয়াণের খবর শুনে অত্যন্ত মর্মাহত হলাম। কর্মজীবনের শুরুর দিনগুলোয় তার সঙ্গে কাজ করার চমৎকার স্মৃতি রয়েছে। একজন অসাধারণ মানুষ ছিলেন তিনি।
ভরত কাপুরের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, এদিন দুপুর সাড়ে তিনটার দিকে মুম্বাইয়ের সায়ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে তার। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় পরিবার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের উপস্থিতিতে শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে।
এ প্রবীণ অভিনেতার মৃত্যুতে তার বন্ধু অভিনেতা অবতার গিল বলেছেন, আমি ওর শেষকৃত্য সম্পন্ন করে ফিরলাম। গত তিনদিন ধরে অসুস্থ ছিল। শেষ কয়েকদিন শরীরের একাধিক অঙ্গ কাজ করা বন্ধ করে দিয়েছিল।
প্রসঙ্গত, ১৯৭২ সালে চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রিতে পা রাখেন ভরত কাপুর। চার দশকের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে মূলত পার্শ্বচরিত্র এবং খলনায়কের ভূমিকায় অভিনয় করে দর্শকহৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছিলেন তিনি। সত্তর, আশি ও নব্বইয়ের দশকের বলিউড সিনেমায় অত্যন্ত পরিচিত মুখ ছিলেন এ অভিনেতা।
তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘নুরি’ (১৯৭৯), ‘রাম বলরাম’ (১৯৮০), ‘লাভ স্টোরি’ (১৯৮১), ‘বাজার’ (১৯৮২), ‘গুলামি’ (১৯৮৫), ‘আখরি রাস্তা’ (১৯৮৬), ‘সত্যমেব জয়তে’ (১৯৮৭), ‘স্বর্গ’ (১৯৯০), ‘খুদা গাওয়া’ (১৯৯২) ও ‘রঙ’ (১৯৯৩)। পরবর্বীতে ‘বরসাত’ (১৯৯৫), ‘সাজান চলে সসুরাল’ (১৯৯৬) ও ‘মীনাক্ষী: এ টেল অফ থ্রি সিটিজি’ (২০০৪)-এর মতো সিনেমায় অভিনয় করেছেন।
চলচ্চিত্রের পাশাপাশি ছোটপর্দায়ও ব্যাপক জনপ্রিয় ছিলেন ভরত কাপুর। ‘ক্যাম্পাস’, ‘পরম্পরা’, ‘রাহাত’, ‘সাংস’, ‘আমানত’, ‘তারা’, ‘চুনৌতি’ ও ‘কাহানি চন্দ্রকন্তা কি’র মতো জনপ্রিয় ধারাবাহিকে তার অনবদ্য অভিনয় মুগ্ধ করেছে দর্শকদের। পর্দায় কখনো পুলিশ অফিসার, কখনো আইনজীবী, আবার কখনো প্রভাবশালী ব্যক্তির চরিত্রে অভিনয় করেছেন এ প্রবীণ অভিনেতা।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories