মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১০:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
টঙ্গীতে অপহরণ করে ২ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবি, ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে প্রাণে রক্ষা টঙ্গীতে বাবা-ছেলে খুন.বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য টঙ্গীতে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত যুবকের মৃত্যু ইউনিয়ন পরিষদ দিয়ে শুরু হচ্ছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শাহবাগে হামলার ঘটনায় ঢাবি প্রশাসনের কাছে ডাকসুর ৬ দাবি যদি নিজের দেশ নিয়ে বেশি অহংকার থাকে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই শত্রুপক্ষ দাঁড়িয়ে যাবে: রিজভী হরমুজ নিয়ে ইরানের প্রস্তাবে অসন্তুষ্ট ট্রাম্প ইরানের নতুন প্রস্তাব: হরমুজ খুললে বা না খুললে— তেলের বাজারে কী হতে পারে? ৫ মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে জামিন শেলটেক আছে এগলাল’স এবিসি চ্যারিটি স্কুলের সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের পাশে

প্লাস্টিক সার্জারি নিয়ে বিতর্ক, সত্যটা জানালেন কেয়া পায়েল

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩ বার
প্লাস্টিক সার্জারি নিয়ে বিতর্ক, সত্যটা জানালেন কেয়া পায়েল

ছোটপর্দার আলোচিত অভিনেত্রী কেয়া পায়েল। টানা আট বছর ধরে কাজ করছেন শোবিজে। এই সময়ের মধ্যে দর্শকদের বিভিন্ন নাটক উপহার দিয়েছেন। এর মধ্যে আলোচনায় ‘এটা আমাদেরই গল্প’ ধারাবাহিক। এতে মেহেরীন চরিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক প্রশংসা লাভ করেছেন তিনি। এরইমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় তার শারীরিক পরিবর্তন বা প্লাস্টিক সার্জারি নিয়ে গুঞ্জন ও বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
কেয়া পায়েলকে নিয়ে নেটিজেনদের দাবি―সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়েছেন তিনি। তবে এই গুঞ্জন ও বিতর্ক নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন। সম্প্রতি একটি পডকাস্টে হাজির হয়ে বিষয়টি নিয়ে এ অভিনেত্রী বলেন, আমি এ নিয়ে এই প্রথম কথা বলছি। আমি বলব, প্রতিটি মানুষ জন্মগতভাবে সুন্দর।
এ তারকা বলেন, আমি ছোটবেলা থেকেই নিজের সৌন্দর্য সম্পর্কে প্রশংসা শুনে বড় হয়েছি। আমার কাছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি জানান, নিজের একটি বিউটি সেলুন থাকার জন্য সৌন্দর্য নিয়ে বেশি কাজ করার আগ্রহ তৈরি হয় তার। সেই আগ্রহ থেকেই চেহারায় কিছুটা পরিবর্তনের চিন্তা আসে।
কেয়া পায়েল বলেন, কখনো আমার মধ্যে এমন উদ্দেশ্য ছিল না যে, বাড়তি কিছু করে সৌন্দর্য বাড়াতে হবে আমার। কেননা, আমি যেমন আছি সেভাবেই খুশি। টুকটাক দুই-একটা জিনিস শুধু অ্যাড করছি। তাতেই আমার ভক্তরা এমনভাবে ক্ষেপে গেল। এটা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারেনি তারা। তাদের এই অবস্থা দেখে মনে মনে বললাম―মাফ চাই, আর হবে না।
এ সময় এই অভিনেত্রী কিছুটা আক্ষেপও করেন। সাধারণত, বাইরের দেশের তারকারা এমন পরিবর্তন করলে গ্রুমিং বলা হয় তাকে। কিন্তু বাংলাদেশের শিল্পীদের ক্ষেত্রে এটি নিয়ে ট্রল করা হয় কেন, জানতে চাইলে জবাবে দেশের মানুষের মানসিকতা নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করেন কেয়া পায়েল।
তার ভাষ্যমতে―আমাদের দেশের মানুষ একটু অতি আবেগী। একজন যদি বলা শুরু করে তাহলে অন্যরা সেটি না জেনেই বলা শুরু করবে। তারা জানেই না কী হয়েছে। এমনকি আমার পাঁচ বছর আগের ছবি দেখেও কেউ কেউ এখন মন্তব্য করে। আর এই হুজুগে মানসিকতা আমাদের পুরো জাতির মধ্যেই রয়েছে।
এ অভিনয়শিল্পী বলেন, রাস্তায় কোনো কারণ ছাড়াই শুধু ভিড় দেখে মানুষ জড়ো হয়। সেখানে কী হচ্ছে, তা না জেনে মানুষ দাঁড়িয়ে যায়। এই মানসিকতা অনেক দিন ধরে প্র্যাকটিস হয়ে আসছে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories