বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০২:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
টঙ্গীর স্টেশন রোডে মাইশা হাসপাতালে আবারো রোগীর মৃত্যু !! টাকার বিনিময়ে দফারফা চিহ্নিত দালাল চক্রের হাতে জিম্মি টঙ্গী আহসান উল্লাহ মাষ্টার জেনারেল সরকারি হাসপাতাল সারা দেশে উদ্যোক্তা বিপ্লবের লক্ষ্যে নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বিটেক ওয়ার্ল্ড পিএলসি’ গাজীপুর জেলা সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত আরো এক বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু ১১ দলীয় ঐক্য জোটের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা বিএনপির নতুন কর্মসূচি ঘোষণা জব্দ ইরানি জাহাজের ৬ ক্রুকে ছেড়ে দিলো যুক্তরাষ্ট্র ইরানের নতুন প্রস্তাবের যে বিষয়টিতে ট্রাম্পের আপত্তি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর হত্যা ও গুমসহ ১৮৫৫টি মামলা দায়ের: আইনমন্ত্রী

টঙ্গীতে পিতা পুত্রের লাশ উদ্ধার,অপর পুত্র আটক

মৃণাল চৌধুরী সৈকত
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৮৯ বার

গাজীপুরের টঙ্গীতে দুই ছেলেকে নিয়ে এক রুমে ঘুমিয়ে থাকার পর এক ছেলেকে খুন করা হয়েছে আর বাবার লাশ পড়ে আছে রেললাইনের পাশে। এ ঘটনায় পুলিশ অক্ষত ছেলেকে সন্দেহজনক ভাবে আটক করে হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা করছে।
রোববার ভোরে টঙ্গীর উত্তর বনমালা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।নিহত বাবা সোহেল হোসেন দর্জি (৫৫) উত্তর বনমালা গ্রামের মোস্তফা দর্জির ছেলে। নিহত ছেলে সাকিব হোসেন দর্জি (১৭) ঢাকার উত্তরা আনোয়ারা মডেল ডিগ্রি কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র। আটক সোহান দার্জি (৩০) সোহেলের ছেলে ও সাকিবের বড় ভাই। সোহেলের স্ত্রী এক বছর আগে মারা গেছেন।পুলিশ জানায়, সোহেল তার দুই ছেলে সাকিব ও সোহানকে নিয়ে একই ঘরে ঘুমিয়েছিলেন। ভোরে চিৎকার চেচামেচি শুনে আশপাশের মানুষ বের হয়। এরপর রুমের ভেতরে সাকিবের লাশ ও পাশের রেললাইনে বাবা সোহেলের লাশ পাওয়া যায়। সাকিবের লাশের বিভিন্ন অংশ কাটা ছিল।তদন্তে থাকা পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, সোহেল দীর্ঘদিন যাবৎ মাদকাসক্ত ছিলেন এবং মাদক সেবন নিয়ে পরিবারের অভ্যন্তরে দীর্ঘদিন ধরে কলহ চলে আসছিল। ঘটনার রাতে সোহেল তার দুই ছেলে—সাকিব ও সোহানের সঙ্গে একই ঘরে অবস্থান করে এবং ঘুমুতে যায়। তদন্তকালে সাকিবের লাশ জখমের যে ধরণ পাওয়া গেছে, তা সাধারণ পারিবারিক কলহ থেকে ভিন্ন। সাকিবের মাথার পেছনে গভীর জখম, ডান হাতের কব্জি এবং বাম পায়ের গোড়ালির উপরের অংশ অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট ও নিখুঁতভাবে কাটা হয়েছে। এ ধরনের জখম সাধারণত কোনো পেশাদার অপরাধী বা ঠান্ডা মাথার পরিকল্পনাকারীর পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকান্ড হিসেবে সন্দেহ করা হয়।সাকিবের লাশ উদ্ধারের পর পার্শ্ববর্তী রেললাইন থেকে সোহেলের লাশ উদ্ধার করা হয়। এটি অনুশোচনা থেকে আত্মহত্যা নাকি হত্যার পর রেললাইনে ফেলে রেখে আত্মহত্যার নাটক সাজানো হয়েছে তা নিয়ে পুলিশি তদন্ত চলছে। একই ঘরে অবস্থান করা সত্ত্বেও সোহানের অক্ষত থাকা এবং তার দেওয়া বক্তব্যে অসঙ্গতি থাকায় সোহানের ভূমিকা নিবিড়ভাবে যাচাই করা হচ্ছে। এছাড়া মাদকাসক্ত বাবাকে ব্যবহার করে অন্য কেউ বা সোহান নিজে এ নৃশংসতায় ঘটিয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) অপরাধ (দক্ষিণ বিভাগ) উপ-কমিশনার মহিউদ্দিন আহমেদ জানান, বাবা-ছেলে খুনের ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সোহানকে আটক করে জিজ্ঞাস্যবাদ করা হচ্ছে। লাশ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories