বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে স্নাতক পর্যন্ত ছাত্রীদের সর্বজনীন উপবৃত্তি পুনর্বহালের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কনসার্ট বন্ধের রীতি আগে থেকেই ছিল: সংগীতশিল্পী ন্যান্সি রাজধানীর পানি সংকট মোকাবিলায় ডেনমার্কের সহযোগিতা কার্যকর ভূমিকা রাখবে: এলজিআরডি মন্ত্রী সংসদ অধিবেশন ঘিরে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদারে স্থলবন্দর ও সীমান্ত হাট চালুর উদ্যোগ ভূমিকে অর্থনৈতিক ও উন্নয়নগত অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করতে হবে: পরিবেশমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে শি জিনপিংয়ের অভিনন্দন প্রথমবারের মতো আরব আমিরাতে নাতে রাসুল (সা.) প্রতিযোগিতা বাংলাদেশীর মালয়েশিয়ায় অনৈতিক কর্মকান্ড, ১২ বাংলাদেশিসহ আটক ৫৭ ২৮ বাংলাদেশিসহ ২৫৫ অভিবাসীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে মালয়েশিয়া

গুমের মামলায় জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে ট্রাইব্যুনালে সাবেক সেনাপ্রধান

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৪১ বার

আওয়ামী লীগের শাসনামলে শতাধিক গুম ও খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিচারপ্রক্রিয়ায় আজ এক গুরুত্বপূর্ণ ধাপ শুরু হচ্ছে। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তার বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্য উপস্থাপনসহ সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য রয়েছে।
ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এই সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হবে। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন- বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
প্রসিকিউশন সূত্রে জানা গেছে, শুনানির শুরুতেই প্রসিকিউশন মামলার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে সূচনা বক্তব্য (ওপেনিং স্টেটমেন্ট) প্রদান করবে। এরপর এক নম্বর সাক্ষীর জবানবন্দির মাধ্যমে মূল সাক্ষ্যগ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হবে। এই মামলায় সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) ইকবাল করিম ভূঁইয়ার জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়ার জন্য ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়েছেন।
গত ১৪ জানুয়ারি জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের তিনটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে আজকের দিনটি সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ক্যালেন্ডারভুক্ত করা হয়।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, জিয়াউলের বিরুদ্ধে আনা প্রথম অভিযোগটি ২০১১ সালের ১১ জুলাইয়ের। ওই দিন রাতে গাজীপুরের পুবাইলে তার সরাসরি উপস্থিতিতে সজলসহ তিনজনকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে। দ্বিতীয় অভিযোগটি ২০১০ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যবর্তী সময়ের। এ সময় বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার বলেশ্বর নদীর মোহনায় নজরুল ও মল্লিকসহ ৫০ জনকে হত্যার দায় আনা হয়েছে তার ওপর। তৃতীয় অভিযোগটিও একই ধরনের, যেখানে আরও ৫০ জনকে হত্যার তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের দাখিল করা অভিযোগ আমলে নেন আদালত। এর ধারাবাহিকতায় ২৩ ডিসেম্বর জিয়াউল আহসানকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। আজ সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্য দিয়ে বিচারপ্রক্রিয়া আরও গতিশীল হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories