বেশ কয়দিন ধরেই ব্যাট হাতে ভালো করছেন না এক সময়ের পাকিস্তান দলের অটোমেটিক চয়েজ বাবর আজম ও মোহাম্মদ রিজওয়ান। এ দুজন আইসিসির র্যাঙ্কিংয়েও নাম্বার ওয়ান ছিলেন। কিন্তু কালক্রমে তারা এখন দলে অনিয়মিত। সবশেষ সিরিজে ব্যাট হাতে যাচ্ছে তাই পারফরম্যান্সের দরুন নেই এশিয়া কাপ ও ত্রিদেশীয় সিরিজের স্কোয়াডে। তাদের না নেয়ার ব্যাখ্যায় বলা হয়েছিল ধীরগতির ব্যাটিংয়ের কথা। টি টোয়েন্টি ক্রিকেটে ব্যাটিংটা নাকি তাদের ঠিক মানানসই নয়। জিও সুপার
টি টোয়েন্টিতে ব্যাটিংটা ঠিক মানানসই না হলেও বাবর আজম বিগত কয়েক বছরের পাকিস্তানের সেরা মেধাবীদের একজন। তার বাদ পড়া তাই কারো কারো কাছে ভালো লাগেনি। দায়টা অনেকে পিসিবি সভাপতি মহসিন নাকভিকে দেয়ার পক্ষে, দিচ্ছেনও। কিন্তু পিসিবি চেয়ারম্যান বলছেন এ দুই ক্রিকেটারকে বাদ দেয়ায় তার কোনো ভূমিকা নেই।
শনিবার (২৩ আগস্ট) ক্রিকেট বোর্ডের ৮০তম বোর্ড অব গভর্নর্স (বিওজি) সভায় সভাপতিত্ব করার পর এক ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানে পিসিবি চেয়ারম্যান নাকভি বলেন, আমি কাউকে নির্বাচিত বা বাদ দেয়ার ক্ষেত্রে এক শতাংশও ভূমিকা রাখি না। দল নির্বাচন সম্পূর্ণরূপে সিলেকশন কমিটি ও উপদেষ্টা বোর্ডের মাধ্যমে হয়। আমি তাদের ওপর পূর্ণ বিশ্বাস রাখি। তারা পেশাদার এবং আমি তাদেরকে নির্দেশ দিয়েছি যোগ্যতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিতে।
নাকভি আরও বলেন,নতুন প্রতিভা গড়ে তোলা এবং প্রতিযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই এশিয়া কাপে তরুণদের বেশি সুযোগ দেয়া হচ্ছে।
বাবর ও রিজওয়ান ২০২১ সালের টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর থেকে প্রতিটি মাল্টি-লেটারাল টুর্নামেন্টে পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। তবে গত বছরের ডিসেম্বরের দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজের পর থেকে তারা টি টোয়েন্টি দলের নির্বাচনে সুযোগ পাননি। এবার নতুন যুব খেলোয়াড়দের বিকাশের লক্ষ্যে তাদের এশিয়া কাপের দলে নেয়া হয়নি।
পাকিস্তানের এশিয়া কাপ স্কোয়াড
সাইম আইয়ুব, ফখর জামান, সালমান আলী আঘা (অধিনায়ক), আবরার আহমেদ, ফাহিম আশরাফ, হারিস রউফ, হাসান আলি, হাসান নওয়াজ, হুসাইন তালাত, খুশদিল শাহ, মোহাম্মদ হারিস (উইকেটরক্ষক), মোহাম্মদ নওয়াজ, মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র, সাহিবজাদা ফারহান, সালমান মির্জা, শাহিন শাহ আফ্রিদি ও সুফিয়ান মুকিম।
Leave a Reply