সম্প্রতি স্প্যানিশ ফুটবল ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদের তারকা ডিফেন্ডার রাউল আসেনসিও ও তার তিন সতীর্থের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠে। তাদের বিরুদ্ধে গোপনীয়তা লঙ্ঘন ও শিশু পর্নোগ্রাফি ছড়ানোর অভিযোগ আনা হয়েছে। সেই মামলায় ভুক্তভোগী ওই কিশোরীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে স্পেনের সরকারি প্রসিকিউশন বিভাগ এখন আদালতে আসেনসিওর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ এনেছে। ২২ বছর বয়সী এই ফুটবলারের জন্য আড়াই বছরের কারাদণ্ড চেয়েছে তারা।
আসেনসিওসহ অভিযুক্ত বাকি তিনজন হলেন, ফেরান রুইজ, হুয়ান রদ্রিগেজ ও আন্দ্রেস গার্সিয়া। ২০২৩ সালে ঘটনার সময় তারা সবাই রিয়াল মাদ্রিদের বিভিন্ন পর্যায়ের (কাস্তিয়া ও সি দল) খেলোয়াড় ছিলেন। দুই কিশোরীর (যাদের বয়স যথাক্রমে ১৬ ও ১৮ বছর) সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন এবং অভিযোগ অনুযায়ী, তাদের অনুমতি ছাড়াই সেই ঘটনা ভিডিও করে শেয়ার করেন। চারজনই ভিডিওটি তৃতীয় পক্ষের সঙ্গে সামাজিক মাধ্যমের ইনবক্সে শেয়ার করার অভিযোগে অভিযুক্ত।
স্প্যানিশ গণমাধ্যম মুন্দো দেপোর্তিভো জানিয়েছে, সরকারি প্রসিকিউশন বিভাগ আসেনসিওর বিরুদ্ধে গোপনীয়তা লঙ্ঘনের অভিযোগে ২.৫ বছরের জেল চেয়েছে। তবে ভুক্তভোগী পক্ষের মতো করে তারা শিশু পর্নোগ্রাফি ছড়ানোর অভিযোগ অন্তর্ভুক্ত করেনি। প্রসিকিউশনের দাবি, আসেনসিও ওই ভিডিওটি একজন বন্ধুকে দেখানোর জন্য চেয়েছিলেন এবং দেখানোর পরই তা মুছে ফেলেন। তবু এ ধরনের কাজ শাস্তি এড়াতে পারে না।
বক্সিংয়ের উন্নয়নে স্কুল পর্যায়ে প্রশিক্ষণ জরুরি: সেলিম হোসেন
স্ত্রীর পরকীয়ার জেরে আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলেন চাহাল
ইন্টার মায়ামিতে যোগ দেয়ার কারণ জানালেন রদ্রিগো ডি পল
ভুক্তভোগী পক্ষের আইনজীবীরা আসেনসিওর বিরুদ্ধে শিশু পর্নোগ্রাফি ছড়ানোর অভিযোগও রেখেছেন এবং তারা মোট ৪ বছরের কারাদণ্ড চেয়েছেন। এমনও গুঞ্জন রয়েছে যে আসেনসিও ভুক্তভোগীদের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছেছেন, তবে তা এখনো নিশ্চিত নয়। সরকারি প্রসিকিউশন জানিয়েছে, তারা আদালতে মামলাটি এগিয়ে নিতে চায়।
এদিকে পর্নোগ্রাফি মামলায় ঘটনা নিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুলেছেন রাউল আসেনসিও। তিনি সরাসরি সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আদালতের রায় না হওয়া পর্যন্ত তিনি নির্দোষ। আসেনসিও আরও বলেন, তার বিবেক পরিষ্কার এবং নারীদের যৌন গোপনীয়তার প্রতি তার পূর্ণ সম্মান আছে। মামলার কার্যক্রম এখনো চলমান এবং দ্রুতই নিষ্পত্তি হচ্ছে না বলেই ধারণা করা হচ্ছে।
Leave a Reply