পার্থ টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অভিষেক হয়েছিল পাকিস্তানি পেসার আমের জামালের। অভিষেক ম্যাচের বাজিমাত করেছেন এই ডানহাতি পেসার। পাকিস্তানের সপ্তম বোলার হিসেবে ক্যারিয়ার শুরুর ম্যাচে ৫-এর বেশি (৬টি) উইকেট শিকার করার রেকর্ড করেছেন জামাল।
জামাল ৬ উইকেট শিকার করলে অস্ট্রেলিয়া ঠিকই বড় সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে। প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া থেমেছে ৪৮৭ রানে। টেস্টে ক্যারিয়ারের শেষ সিরিজে বড় সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন ডেভিড ওয়ার্নার। ২১১ বলে ১৬৪ রান করেছেন সমালোচকদের কড়া জবাব দিয়েছেন এই বাঁহাতি অসি ওপেনার। ওয়ার্নারের সঙ্গে মিডলঅর্ডারে নেমে ৯০ রানের দুর্দান্ত ইনিংসের উপর ভর করে পাকিস্তানের সামনে বড় লিড দাঁড় করিয়েছে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া।
এর আগে পার্থে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচে টসভাগ্য ছিল অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে। উসমান খাজাকে সঙ্গে নিয়ে উদ্বোধনী জুটিতে ১২৬ রান তোলেন ওয়ার্নার। খাজা ৪১ করে শাহিন শাহ আফ্রিদির বলে উইকেটরক্ষকে ক্যাচ দেন।
ইনিংস বড় করতে পারেননি মার্নাস লাবুশেন। ফাহিম আশরাফের এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়ার আগে করেন ১৬ রান। তবে তৃতীয় উইকেটে স্টিভেন স্মিথকে নিয়ে ৭৯ আর চতুর্থ উইকেটে ট্রাভিস হেডকে নিয়ে ৬৬ রানের আরও দুটি জুটি গড়েন ওয়ার্নার।
অভিষিক্ত পেসার খুররাম শাহজাদের বলে উইকেটরক্ষককে ক্যাচ দেন স্মিথ (৩১)। আরেক অভিষিক্ত অলরাউন্ডার আমির জামালের শিকার হন হেড (৪০)।
তবে ওয়ার্নার বড় রান করেই মাঠ ছেড়েছেন। ২১১ বলে ১৬ চার আর ৪ ছক্কায় ১৬৪ রানের ইনিংস বেরিয়ে আসে তার উইলো থেকে। এটি তার ক্যারিয়ারের ২৬তম সেঞ্চুরি। প্রথম দিন শেষে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ছিল ৫ উইকেটে ৩৪৬ রান।
অ্যালেক্স ক্যারে ১৪ আর মিচেল মার্শ ১৫ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনের নেমে ১৩৪ বলে ৯০ রানের জুটি করে দলকে এগিয়ে দেন। ১০৭ বলে ৯০ রান করে খুররমের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন মার্শ। ক্যারে তুলেন ৭৩ বলে ৩৪ রান। লোয়ারঅর্ডারে মিচেল স্টার্ক ১২, প্যাট কামিন্স ৯, নাথান লায়ান ৫ ও জস হ্যাজলউড যোগ করেন ৪ রান।
পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ৬ উইকেট শিকার করেন আমের জামাল। ২২ ওভার বল করে তিনি খরচা করেন ৮৩ রান। এছাড়া দুটি উইকেট পেয়েছেন আরেক অভিষিক্ত পেসার খুররম শাহজাদ।
Leave a Reply