দামাল বাঘিনীদের সাফল্য সারথী হয়েছে পুরো দেশ। সাফ জয়ের সপ্তাহ পেরুলেও রেশ কমেনি এখনও। ফুটবলারদের চাওয়া-পাওয়া মিলেছে এক বিন্দুতে। কিন্তু তাদের ভবিষ্যত কোথায়? অর্থের ঝনঝনানি নিশ্চিত করবে মানসিক ও সাময়িক আর্থিক নিশ্চয়তা। দলকে স্পন্সর করতেও আগ্রহী একাধিক প্রতিষ্ঠান। কিন্তু সাফল্যের ধারাবাহিতা রাখতে বাফুফের পরিকল্পনা কী?দ্যা ওয়াল অব উইমেন্স টিম। ট্রফিটি সঙ্গে নেই কিন্তু চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের ক্যামেরার সামনে উদযাপনের সেই পোজ দিতে ভুল করলেন না রুপনা চাকমা।
রুপনার সাফল্য পৌঁছে গেছে রাঙ্গামাটি পর্যন্ত। দুই ভাই দুই বোনের মধ্যে সবার ছোট রুপনা, আদররেও বটে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ইতোমধ্যেই জীর্ন বাড়িতে লেগেছে উন্নয়নের ছোঁয়া। জেলা প্রশাসন দায়িত্ব নিয়েছেন বাড়ির সামনের সাঁকোকে ব্রিজে রুপান্তর করতে।বাংলাদেশ গোলরক্ষক রুপনা চাকমা বলেন, আমার নামে ব্রিজ বানাবে আমি অনেক খুশি।রুপনার মত নারী দলের সাফল্য গল্পকেও হার মানায়। ইতোমধ্যেই প্রায় তিন কোটি টাকার আর্থিক পুরস্কার পেয়েছে নারীরা। একাধিক বেসরকারী প্রতিষ্ঠান রাজি স্পন্সর করতে।ফুটবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ বলেন, নারী ফুটবল নিয়ে যদি বাফুফের সাসটেইনেবল প্ল্যান থাকে সেক্ষেত্রে তারা মহিলা ফুটবলের সঙ্গে কাজ করতে চায়। পজেটিভ একটা বিষয় যেটা কাজ করছে সেটাকে বজায় রেখেছে স্পন্সর প্রতিষ্ঠান আগ্রহ দেখাচ্ছে। তাদের সঙ্গে নিয়ে ভালো একটা প্ল্যান আমরা কিভাবে করতে পারি এবং সেটা যেন সকল দিক থেকে সাসটেইনেবল প্ল্যান হয়।আর্থিক অনুদানের পরিমান আরও বাড়বে। বসুন্ধরা, রুপয়ায়ণ গ্রুপসহ অনেকেই সংবর্ধানার পরিকল্পনা করছে। কিন্তু সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে সাফ অঞ্চলের বাইরে সাফল্য পেতে প্রয়োজন শক্ত ভিত।
ফুটবল ফেডারেশনের টেকনিক্যাল ও স্ট্র্যাট্রেজিক ডিরেক্টর পল স্মলি বলেন, সবচেয়ে জরুরি নারীদের বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্টগুলোর মান বৃদ্ধি করা। নারীদের পেশাদার লিগের মান বাড়াতে হবে। ঢাকার বাইরে একাধিক মানসম্পন্ন একাডেমি করা, এই জাগরণ ধরে রাখতে এসব দিক নজর দেয়ার কোনও বিকল্প নেই।সীমাবদ্ধতাকে জয় করে প্রত্যাশার চাপ পূরণ করতে পারবেতো বাফুফে? উত্তর তোলা থাক সময়ের হাতে।
Leave a Reply