মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৯:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
অভিনেত্রী স্নিগ্ধাকে মারধর ও হত্যাচেষ্টা’: আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন আশিয়ান চেয়ারম্যান নজরুল হালুয়াঘাট হাট-বাজার পরিস্কার -পরিচ্ছন্ন অভিযান শুরু হালুয়াঘাটে উল্টো রথ যাত্রার মধ্যদিয়ে শেষ হল জগন্নাথ দেবের রথ যাত্রা উৎসব বাধ্যতামূলক অবসরে ৩২ ডিসি স্বাধীন গণমাধ্যম নীতিমালা তৈরিতে সাংবাদিকদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী বাবার ইজিবাইকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঝরল মেয়ের প্রাণ মা হলেন মানসিক ভারসাম্যহীন নারী, মেলেনি বাবার পরিচয় ফরিদপুরে ভূমি কর্মকর্তার ‘ঘুষ’ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল বিএনপি সভাপতির বাড়িতে চুরি, খবর শুনেই স্ট্রোকে শাশুড়ির মৃত্যু হাসপাতালে ঢুকে আহত স্ত্রীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

চোরাই মোবাইলসহ তিন টিকটকার গ্রেফতার, মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ২৫ জুলাই, ২০২২
  • ১৩৭ বার

যমুনা ফিউচার পার্ক থেকে চুরি করা হয় মোবাইল। বিক্রি করা হয় বসুন্ধরা শপিংমলে। জড়িত তিনজনকে গ্রেফতারের পর পুলিশ জানিয়েছে, রাজধানীর অভিজাত শপিংমলগুলো হয়ে উঠেছে ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে আনা ও চোরাই মোবাইল ক্রয়-বিক্রয়ের বড় মার্কেটপ্লেস।গত ৫ জুলাই সকাল সাড়ে ১০টা। রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কের একটি মোবাইলের দোকানে তালা খুলে প্রবেশ করতে দেখা যায় এক ব্যক্তিকে। মিনিট পাঁচেকের মধ্যে ব্যাগভর্তি মোবাইল চুরি করে বেরিয়ে যান মার্কেট থেকে।

ওই দোকান থেকে আইফোনসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ৫৫টি মোবাইল চুরির ঘটনা তদন্ত গিয়ে গোয়েন্দা পুলিশ শনাক্ত করে চুরির সঙ্গে জড়িত তিনজনকে। তাদের গ্রেফতারের পর বেরিয়ে আসে অবৈধ উপায়ে বিদেশ থেকে আনা মোবাইল বেচাকেনার চাঞ্চল্যকর তথ্য। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ৪৫টি চোরাই মোবাইল।গ্রেফতার তিনজনের মধ্যে নাহিদ একসময় কাজ করতেন দোকানটিতে। তার কাছে ছিল দোকানের ডুপ্লিকেট চাবি। পরিকল্পনা মোতাবেক আরও দুজনকে নিয়ে চুরি করা মোবাইলের কয়েকটি বসুন্ধরা শপিংমলে বিক্রি করেন। এ তিনজনই টিকটকার।গ্রেফতার একজন বলেন, আমাকে একজন চাবি দিয়ে বলছে দোকান খুলে ফোন আনতে। আমি দোকান খুলে ফোন এনে তার কাছে দিয়েছি। সে আবার আমার ব্যাগটা আমাকে দিয়েছে। ওই ব্যাগে আমার জামা কাপড় ছিল আমি জামা কাপড় চেঞ্জ করে আমি আমার গন্তব্যস্থলে চলে আসি।গ্রেফতার আরেকজন বলেন, অনিক ভাইয়ের টাকা দরকার ছিল। অনিক ভাইকে চাবি দিছি উনি কাজ করে ফোনগুলো আমার কাছে দিছে। আর উনি বাকি ফোন কী করেছেন আমি জানি না।  

পুলিশ বলছে, রাজধানীর অভিজাত কয়েকটি শপিংমলে ক্রয়-বিক্রয় হচ্ছে ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে আনা মোবাইল।ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের যুগ্ম পুলিশ কমিশনার হারুন অর রশীদ বলেন, এ চোরাই মোবাইলগুলো মূলত তারা নামিদামি ব্র্যান্ডের দোকানে বিক্রি করে। এবং আমরা তদন্ত করে তাদের কাছে জিজ্ঞাসাবাদে যেটা জেনেছি সেটা হলো বসুন্ধরা বা যমুনা ফিউচার পার্কে যে মোবাইলগুলো ল্যাগেজ পার্টি নিয়ে আসে কোনোটাতেই তারা সরকারকে ট্যাক্স দেয় না। একদিকে তারা তো সরকারকে ট্যাক্স দিচ্ছেই না, অন্যদিকে যারা মোবাইল কিনে তারা আইএমইআই থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।ছিনতাই হওয়া মোবাইল বড় শপিংমলে ক্রয়-বিক্রয়ের কারণে রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories