সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ০৬:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্রের ১১ যুদ্ধবিমান-হেলিকপ্টার ধ্বংসের দাবি ইরানের সিরিয়ায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে অন্তত ৩৫ জন নিহত ইন্টারসেপ্টর ফুরিয়ে যাওয়ার ভয়ে ইরানে হামলা স্থগিত যুক্তরাষ্ট্রের ভারতের নতুন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগে বলিউড তারকাদের প্রতিক্রিয়া নিউ ইয়র্কে এলে নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের আহ্বান কংগ্রেসম্যান রো খান্নার এইচএসসির রসায়ন প্রশ্নে ভুল নেই, উত্তরপত্র মূল্যায়নে বোর্ডের নির্দেশিকা প্রকাশ প্রসাধনী ছাড়াও চোখের নিচের কালো দাগ সারানোর উপায় আলোচনায় অনীহা! বিরোধী সাংসদদের নিয়ে ‘গান্ধী স্মৃতি’তে জমায়েত রাহুলের ওমরাহ পালনের পথে সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনা: একই পরিবারের তিন বাংলাদেশি নিহত

একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক এবিএম মূসার ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : শনিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২২
  • ৬৫ বার

একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রখ্যাত সাংবাদিক ও কলাম লেখক এবিএম মূসার আজ (৯ এপ্রিল) ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার পরিবার এবং এবিএম মূসা-সেতারা মূসা ফাউন্ডেশনের পক্ষথেকে সবার দোয়া কামনা করা হয়েছে। জাতীয় প্রেস ক্লাবের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং ক্লাবের আজীবন সদস্য এবিএম মূসা ১৯৩১ সালে তার নানার বাড়ি ফেনী জেলার ধর্মপুর গ্রামে জন্ম নেন এবং ২০১৪ সালের ৯ এপ্রিল চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। 
এবিএম মূসা দীর্ঘ ৬৪ বছর ধরে সাংবাদিকতার বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রেখেছেন। ১৯৫০ সালে দৈনিক ইনসাফ থেকে তার সাংবাদিকতার জীবন শুরু হয়। ওই বছরে তিনি ইংরেজি দৈনিক পাকিস্তান অবজারভারে যোগ দেন। ১৯৭১ সাল পর্যন্ত তিনি পাকিস্তান অবজারভারে রিপোর্টার, স্পোর্টস রিপোর্টার, বার্তা সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। স্বাধীনতার পর এবি এম মূসা বিটিভির মহাব্যবস্থাপক, মর্নিং নিউজের সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হোন।
১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের সময় তৎকালিন পাকিস্তান সরকার পাকিস্তান অবজারভার বন্ধ করে দিলে তিনি সংবাদে যোগ দেন। পরে পত্রিকাটির প্রকাশনা শুরু হলে ১৯৫৪ সালে তিনি অবজারভারে ফিরে আসেন। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি বিবিসি, সানডে টাইমস প্রভৃতি পত্রিকার সংবাদদাতা হিসাবে রণাঙ্গন থেকে সংবাদ প্রেরণ করতেন।
১৯৭৮ সালে এবিএম মূসা ব্যাংককে অবস্থিত জাতিসংঘের পরিবেশ কার্যক্রমের (এসকাপ) এশিয়া প্যাসেফিক অঞ্চলে আঞ্চলিক পরিচালক পদে যোগ দেন। দেশে ফিরে এসে ১৯৮১ থেকে ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক এবং ১৯৮৫ থেকে ১৯৮৭ সাল পর্যন্ত বংলাদেশ সংবাদ সংস্থার মহাব্যবস্থাপক ও প্রধান সম্পাদক ছিলেন।
২০০৪ সালে তিনি কিছুদিন দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এবিএম মূসা জাতীয় প্রেস ক্লাবের চারবার সভাপতি এবং তিনবার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পাকিস্তান সাংবাদিক ইউনিয়নের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং পূর্ব পাকিস্তান সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
এবিএম মূসা একুশে পদকসহ দেশি বিদেশি নানা পুরস্কারে ভুষিত হয়েছেন। ‘মুজিব ভাই’ এবং ‘আমার বেলা যে যায়’ তাঁর অন্যতম প্রকাশিত গ্রন্থ। এবিএম মূসা জীবনের শেষদিনগুলোতে একজন দর্শক প্রিয় আলোচক এবং সংবাদ বিশ্লেষক হিসাবে বিভিন্ন টিভি চ্যানেলের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে গেছেন।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories