সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ রেখে যাওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ইইউয়ের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা শিগগিরই : বাণিজ্যমন্ত্রী চলতি মাসেই ইউপি নির্বাচনের তফসিল: ইসি আনোয়ারুল হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু জ্বালানি নিরাপত্তার রোডম্যাপে নতুন প্রকল্প, পুরোনো সংকটের কী হবে রোহিঙ্গা সংকট আঞ্চলিক নিরাপত্তার হুমকি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পরকীয়া সম্পর্ক ফাঁস হওয়ায় কচুয়ায় একই পরিবারের তিনজনকে হত্যা লক্ষ্মীপুর রায়পুরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগে যুবক আটক উলিপুরকে মডেল উপজেলা গড়তে গণমাধ্যমের সহযোগিতা চান এমপি সালেহী রাষ্ট্রপতি ঠাকুরগাঁও পৌঁছেছেন

চাটখিলে পরকোট ইউপি সচিবের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ

নোয়াখালী প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬
  • ৫০ বার

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার পরকোট ইউনিয়ন পরিষদের সচিব আলমগীর হোসেন এর বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। এই বিষয়ে স্থানীয় লোকজন সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বারবার অভিযোগ করেও কোন লাভ হয়নি। ঐ ইউনিয়নের কয়েকজন চাটখিল প্রেসক্লাবে এসে উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছে তার অনিয়ম ও দুর্নীতির কথা তুলে ধরেন।
বিষয়টি প্রেসক্লাব কর্তৃপক্ষ আমলে নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার সকালে কয়েকজন সাংবাদিক পরকোট ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে যান। সেখানে বিশিষ্ট ব্যবসায়ীদের উপস্থিতিতে নাসির উদ্দীন বকশী, আজিজের নুর স্বপ্নন, মন্জুর হোসেন সহ আরো অনেকেই জানান, সকাল ৯টা থেকে ৪টা পর্যন্ত অফিস খোলা থাকার নিয়ম থাকলেও ইউপি সচিব আলমগীর হোসেন নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে নিজের ইচ্ছামত অফিস করে থাকেন। তার বিরুদ্ধে কেউ কথা বললে তার উচ্চ পর্যায়ের লোকের দাপট দেখিয়ে তাদেরকে হেনস্তা করার চেষ্টা করেন। সাংবাদিকরা তার কার্যালয়ের সামনে ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত অপেক্ষা করার পর তিনি অফিসে আসেন। ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সেবা প্রত্যাশী অনেক লোকজন প্রতিদিন আসলেও তাকে না পেয়ে বারবার আসতে হয়। জন্ম নিবন্ধন, মৃত্যু সনদ ও ওয়ারিশ সনদ নেওয়ার জন্য ইউনিয়ন পরিষদে আসলে সর্বক্ষেত্রে সচিব আলমগীর কয়েকগুণ বেশী ফি আদায় করে দুর্নীতি করছেন।
এই বিষয়ে সচিব আলমগীর হোসেন এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, অফিসের কাজে প্রায় সময় তাকে চাটখিল উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে থাকতে হয় এবং তার বিরুদ্ধে আনীত অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেন।
এই ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজানুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories