বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ: প্রধানমন্ত্রী জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত যোদ্ধা মিতুর খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী জুলাই শহিদ পরিবার ও যোদ্ধাদের মর্যাদা নিশ্চিত করা সরকারের পবিত্র দায়িত্ব: ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি জুলাই গণহত্যায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে : কাদের গণি চৌধুরী প্রতি উপজেলায় জুলাই শহীদদের নামে প্রতিষ্ঠান তৈরি হবে : তথ্য প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশকে পরনির্ভরশীল রাষ্ট্র হিসেবে দেখতে চায় না সরকার: পররাষ্ট্রমন্ত্রী গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে সরকার : মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী জুলাই স্মৃতি জাদুঘর বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা : অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস জুলাই স্মৃতি জাদুঘর বৃহস্পতিবার থেকে সবার জন্য উন্মুক্ত, টিকিট ৫০ টাকা জামায়াত-শিবিরকে মোকাবিলা করার জন্য ছাত্রদল একাই যথেষ্ট: ছাত্রদল সভাপতি রাকিব

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ৮ এপ্রিল, ২০২২
  • ৭৩ বার

পটুয়াখালীর বাউফলে ঘর ভাঙচুর, মারধর, নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুটপাটসহ গাঁজা দিয়ে এক কিশোরকে (১৭) ফাঁসানোর অভিযোগে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কয়েকজন কর্মকর্তাসহ মোট আটজনের নামে মামলা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার পটুয়াখালীর সিনিয়র জুডিশিয়াল দ্বিতীয় আমলি আদালতে ওই কিশোরের বাবা আবদুল জলিল বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. মুজাহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছেন।

মামলার আসামিরা হলেন- বরিশাল বিভাগীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের গোয়েন্দা কার্যালয়ের উপ-পরিদর্শক ইশতিয়াক হোসেন, সহকারী উপ-পরিচালক মো. ফারুক হোসেন, সহকারী উপ-পরিদর্শক দিপংকর মন্ডল, কার্যালয়ে কর্মরত ইমাম হোসেন ওরফে শামীম, আবদুল হামিদ, মো. সবুর, খন্দকার জাফর আহম্মেদ ও মো. হেলাল উদ্দিন। মামলার অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দাবি করেন উপ-পরিদর্শক ইশতিয়াক হোসেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২ এপ্রিল আবদুল জলিলের দুই ছেলে একসঙ্গে ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। ছোট ছেলের বয়স ১৭ বছর। বড় ছেলের বয়স ২২ বছর। সকাল ৯টার দিকে ১২-১৪ জন ঘরের পেছনের দুটি দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে দুই ভাইকে হাতকড়া পরিয়ে মারধর করেন। এ সময় তারা ঘরের আলমারি ও অন্যান্য আসবাব ভাঙচুর করেন, আলমারি থেকে ১ লাখ ৫৭ হাজার টাকা ও ৩ ভরি স্বর্ণালংকার লুট করে কিশোর ছেলেকে নিয়ে যান।

পরে বরিশাল বিভাগীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের গোয়েন্দা কার্যালয়ের উপ-পরিদর্শক ইশতিয়াক হোসেন বাদী হয়ে জলিলের কিশোর ছেলের নামে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে বাউফল থানায় মামলা করেন।

ওই মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, আবদুল জলিলের ছেলের খাটের নিচ থেকে ৫০০ গ্রাম গাঁজা ও গাঁজা বিক্রির ৭২ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। এ মামলার সাক্ষী করা হয়েছে মো. সুমন (৩০) ও শ্যামল মিস্ত্রি (৩৫) নামের দুই যুবককে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories