বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আদাবরে চাপাতি নিয়ে বাড়িতে হামলা: পুলিশি অভিযানে গুলিবিদ্ধ ২, গ্রেপ্তার ১০ ১২ হাজারেরও বেশি অবৈধ অভিবাসীকে ফেরত পাঠাল সৌদি আরব সদরপুরে ভ্যানের চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে ১৩ বছরের কিশোরীর মৃত্যু মালয়েশিয়ায় ন্যূনতম মজুরি ২ হাজার রিঙ্গিত করার ভাবনা, শ্রমিক ইউনিয়নের দাবি ৩১০০ জীবনসঙ্গীকে বিদায় জানিয়ে অশ্রুসিক্ত মাহাথির: সত্তর বছরের পথচলার আবেগঘন সমাপ্তি নীরবে খুলল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার: আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়াই ২৮ বাংলাদেশি কর্মীর চাহিদাপত্র সত্যায়ন ওয়েজ বোর্ডসহ সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষায় কাজ করছে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী আবারও কমলো স্বর্ণের দাম, ভরি ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকা একাদশে ভর্তির দ্বিতীয় ধাপে আবেদনের সময় বাড়ল গাজীপুরের টঙ্গীতে জয় নামে এক যুবককে পরিকল্পিত ভাবে কুপিয়ে হত্যা

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ৮ এপ্রিল, ২০২২
  • ৭৬ বার

পটুয়াখালীর বাউফলে ঘর ভাঙচুর, মারধর, নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুটপাটসহ গাঁজা দিয়ে এক কিশোরকে (১৭) ফাঁসানোর অভিযোগে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কয়েকজন কর্মকর্তাসহ মোট আটজনের নামে মামলা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার পটুয়াখালীর সিনিয়র জুডিশিয়াল দ্বিতীয় আমলি আদালতে ওই কিশোরের বাবা আবদুল জলিল বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. মুজাহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছেন।

মামলার আসামিরা হলেন- বরিশাল বিভাগীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের গোয়েন্দা কার্যালয়ের উপ-পরিদর্শক ইশতিয়াক হোসেন, সহকারী উপ-পরিচালক মো. ফারুক হোসেন, সহকারী উপ-পরিদর্শক দিপংকর মন্ডল, কার্যালয়ে কর্মরত ইমাম হোসেন ওরফে শামীম, আবদুল হামিদ, মো. সবুর, খন্দকার জাফর আহম্মেদ ও মো. হেলাল উদ্দিন। মামলার অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দাবি করেন উপ-পরিদর্শক ইশতিয়াক হোসেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২ এপ্রিল আবদুল জলিলের দুই ছেলে একসঙ্গে ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। ছোট ছেলের বয়স ১৭ বছর। বড় ছেলের বয়স ২২ বছর। সকাল ৯টার দিকে ১২-১৪ জন ঘরের পেছনের দুটি দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে দুই ভাইকে হাতকড়া পরিয়ে মারধর করেন। এ সময় তারা ঘরের আলমারি ও অন্যান্য আসবাব ভাঙচুর করেন, আলমারি থেকে ১ লাখ ৫৭ হাজার টাকা ও ৩ ভরি স্বর্ণালংকার লুট করে কিশোর ছেলেকে নিয়ে যান।

পরে বরিশাল বিভাগীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের গোয়েন্দা কার্যালয়ের উপ-পরিদর্শক ইশতিয়াক হোসেন বাদী হয়ে জলিলের কিশোর ছেলের নামে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে বাউফল থানায় মামলা করেন।

ওই মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, আবদুল জলিলের ছেলের খাটের নিচ থেকে ৫০০ গ্রাম গাঁজা ও গাঁজা বিক্রির ৭২ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। এ মামলার সাক্ষী করা হয়েছে মো. সুমন (৩০) ও শ্যামল মিস্ত্রি (৩৫) নামের দুই যুবককে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories