দেশের ১৫ জেলায় রাতের মধ্যে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে। রোববার রাত ১টা পর্যন্ত দেশের নদীবন্দরগুলোর জন্য দেয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশিদ
টানা চার দিন ধরে দেশের অধিকাংশ জায়গায় বৃষ্টি হচ্ছে। নিম্নচাপের প্রভাবে শনিবার ঢাকায়ও দিনভর বৃষ্টি হয়েছে, যা অব্যাহত আছে।রোববার সকালের বৃষ্টিতে রাজধানীবাসীর ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করে। অফিসগামী সাধারণ মানুষ,
ঢাকাসহ দেশের ১৪ জেলায় ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের অন্যত্র দক্ষিণ অথবা দক্ষিণপূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো
দেশের পাঁচ বিভাগে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। সেই সঙ্গে আগামী তিন দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বুধবার সকাল ৯টা থেকে
দেশের আটটি অঞ্চলের ওপর দিয়ে সন্ধ্যার মধ্যে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।মঙ্গলবার সকালে দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।এতে বলা হয়েছে,
বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে দেশের সব বিভাগেই বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এর সঙ্গে তাপমাত্রা বাড়তে পারে বলে আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।শুক্রবার আবহাওয়ার বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।আবহাওয়া
রাজধানী ঢাকায় আজ মঙ্গলবার ভোর ৬টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত ৮০ মিলিমিটার বৃষ্টি ঝরেছে। এতে বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। ভোগান্তিতে পড়েছেন কর্মজীবী মানুষ। এ ছাড়া সড়কে পানি জমায় সকালে
পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপ শনিবার সকালে মৌসুমি নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। সাগরে নিম্নচাপ এবং মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আগামী কয়েকদিন দেশে বৃষ্টির প্রবণতা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে
শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।এতে বলা হয়, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায়
সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা সৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। এর প্রভাবে পটুয়াখালীর উপকূলীয় কুয়াকাটায় গত একসপ্তাহ ধরে গুঁড়ি গুঁড়ি থেকে মাঝারি বষ্টিপাত অব্যাহত আছে।টানা বর্ষণে জনজীবিনে