সারা দেশে করোনা ডেডিকেটেড সরকারি হাসপাতালগুলো পরিদর্শনের অংশ হিসেবে শনিবার দুপুরে টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শন করলেন সচিবসহ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একটি টিম। এসময় করোনাকালে যারা করোনা যোদ্ধা হিসেবে কাজ করেছেন, যারা মারা গেছেন এবং হাসপাতালে চলমান স্বাস্থ্য সেবার মানোন্নয়ন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়।
আলোচনাকালে উপস্থিত সাংবাদিকগণ হাসপাতালের বিভিন্ন অসঙ্গতির দিক তুলে ধরেন। যেমন, আউটসোর্সিং কিভাবে ওয়ার্ড মাস্টার হয়, রোগীদের নিন্ম মানের খাবার পরিবেশন, হাসপাতালে দালালদের দৌরাত্ম্য, আউটসোর্সিং কর্মচারীদের ধার্যকৃত বেতন ও প্রাপ্ত বেতনের বৈসাদৃশ্য, প্যাথলজি বিভাগে রোগের পরীক্ষা-নিরীক্ষার আর্থিক রশিদ না দেয়াসহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মোঃ সাইদুর রহমান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত মহা পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা, গাজীপুরের সিভিল সার্জন খাইরুল ইসলাম, শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক জাহাঙ্গীর হোসেন, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. পারভেজ হোসেন, ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার ডা. মাসুদ রানা, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী স্বপন চাকমা, পি ডব্লিউ ডি এর প্রকৌশলী মনির হোসেন, অক্মিজেন বিভাগের প্রকৌশলী জাহিদুল ইসলাম, গাইনি বিভাগীয় প্রধান ডা. শিখা কবীর, মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডা. ইয়ানূর হোসেন, অর্থপেডিক বিভাগের ডা. জহিরুল ইসলাম, নার্সিং বিভাগের প্রধান রেহেনা খাতুন প্রমূখ।

অপরদিকে স্বাস্থ্য সচিবসহ স্বাস্থ্য বিভাগের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে আলোচনা সভায় প্রথমে স্থানীয় সাংবাদিকদের ভেতরে প্রবেশে বাধা দেয়া হলেও পরে তাদের ভেতরে প্রবেশ করানো হয়। এসময় সাংবাদিকরা বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করতে থাকলে সভা সংক্ষিপ্ত করে কর্মকর্তারা উঠে যান। এছাড়া সভায় কর্মকর্তাদের পেছনে ব্যানারটি প্রায় দেড় বছর আগের ঠিকা দান কর্মসূচীর উদ্ভোধনের হওয়ায় এবং নতুন ব্যানার না করার বিষয়ে প্রশ্ন করলে, হাসপাতালের কর্মকর্তারা জানান,সময় স্বল্পতার কারণে নতুন ব্যানার করা হয়নি, তাছাড়া কােন কোন সমস্যা নয়।
Leave a Reply