সরকারি হাসপাতালের এক কিলোমিটারের মধ্যে নতুন কোনো বেসরকারি ক্লিনিকের অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলেই সব অবৈধ ক্লিনিক চালু হয়েছে। অনিয়ম পাওয়া গেলে সেগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকালে মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার কয়েকটি বেসরকারি ক্লিনিক পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো জেলা প্রশাসন ও সিভিল সার্জনের নেতৃত্বে পরিদর্শন করা হচ্ছে। কোথাও অনিয়ম পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে একসঙ্গে সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা সম্ভব নয়। পর্যায়ক্রমে অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এর আগে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে আকস্মিকভাবে কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ সময় তিনি হাসপাতালের সার্বিক চিকিৎসাসেবা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও রোগীদের সুযোগ-সুবিধার খোঁজখবর নেন।
হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখার পাশাপাশি ভর্তি রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। চিকিৎসাসেবার মান, ওষুধের প্রাপ্যতা ও চিকিৎসক সংকটসহ বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে চিকিৎসক, নার্স ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চান।
এ সময় সরকারি নিয়ম মেনে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নির্ধারিত সময়ে হাসপাতালে উপস্থিত থাকার বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা দেন মন্ত্রী। পাশাপাশি সাধারণ মানুষ যাতে সরকারি হাসপাতালে যথাযথ চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত না হন, তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
পরিদর্শনকালে মাদারীপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক খন্দকার মাশুকুর রহমান, কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কিশোর কুমার দাশ, কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
Leave a Reply