বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সরকার উদ্যোক্তাদের পাশে রয়েছে সহযোগিতা করার জন্য: প্রধানমন্ত্রী বন্যা মোকাবিলায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান মির্জা ফখরুলের উন্নত বাংলাদেশ গড়তে দক্ষ যুব সমাজ গড়ে তোলার বিকল্প নেই : রাষ্ট্রপতি বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসন, ত্রাণ ও স্বাস্থ্যসেবায় সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে ফেইসবুকে জন্ম নিল ‘ব্রয়লার চিকেন পার্টি’ সংসদ ভবন এলাকায় শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশের লাঠিচার্জ সরকার জনগণের নিরাপত্তায় ব্যর্থ, লক্ষণ খুব ভালো নয়: জামায়াত আমির সায়েন্সল্যাব ছেড়ে শিক্ষা বোর্ড অভিমুখে শিক্ষার্থীরা, পথে পুলিশি বাধা মার্কিন অত্যাধুনিক ‘লুকাস’ ড্রোন ভূপাতিত করলো ইরান লক্ষ্মীপুরে দাদাকে গুলি করায় নাতি গ্রেপ্তার

সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে দলবদ্ধ ধর্ষণ: একজনের মৃত্যুদণ্ড তিনজনের যাবজ্জীবন

সিলেট প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬
  • ৭ বার

সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে অপহরণের পর স্বামীকে আটকে স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় ১ জনের মৃত্যুদণ্ড ও তিনজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় চারজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুর ২টায় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এ রায় ঘোষণা করেন।
ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি আবুল হোসেন রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
রায়ে সাইফুর রহমানকে মৃত্যুদণ্ড এবং শাহ মাহবুবুর রহমান (রনি), তারেকুল ইসলাম (তারেক) ও অর্জুন লস্করকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একই মামলায় চারজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় শাহপরান মাজার এলাকা থেকে ফেরার পথে এমসি কলেজের প্রধান ফটকের সামনে এক দম্পতির প্রাইভেটকার থামিয়ে কয়েকজন যুবক তাদের কলেজ ছাত্রাবাসে নিয়ে যান। সেখানে স্বামীকে আটকে রেখে গাড়ির ভেতরে তরুণীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। একইসঙ্গে দম্পতির কাছ থেকে টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নেওয়া এবং গাড়ি আটকে রাখারও অভিযোগ ওঠে।
ঘটনার রাতে ভুক্তভোগীর স্বামী শাহপরান থানায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন। তদন্তের একপর্যায়ে আরও দুই ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা শনাক্ত হয়। গাড়ি আটকে রেখে চাঁদা আদায়ের অভিযোগে দায়ের করা পৃথক মামলাটিও এ মামলার সঙ্গে একত্রে বিচার করা হচ্ছে।
এদিকে ঘটনার পর আত্মগোপনে গেলেও তিন দিনের মধ্যে পুলিশ ও র‌্যাবের অভিযানে আট আসামিকেই গ্রেফতার করা হয়। তদন্ত চলাকালে কয়েকজন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এছাড়া ডিএনএ পরীক্ষায় আট আসামির মধ্যে ছয়জনের সঙ্গে আলামতের মিল পাওয়া যায় বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
২০২১ সালের ৩ ডিসেম্বর শাহপরান থানার তৎকালীন পরিদর্শক (তদন্ত) ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন। এরপর অভিযোগ গঠন, সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষে মামলাটি রায়ের পর্যায়ে পৌঁছায়।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories