বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সরকার উদ্যোক্তাদের পাশে রয়েছে সহযোগিতা করার জন্য: প্রধানমন্ত্রী বন্যা মোকাবিলায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান মির্জা ফখরুলের উন্নত বাংলাদেশ গড়তে দক্ষ যুব সমাজ গড়ে তোলার বিকল্প নেই : রাষ্ট্রপতি বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসন, ত্রাণ ও স্বাস্থ্যসেবায় সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে ফেইসবুকে জন্ম নিল ‘ব্রয়লার চিকেন পার্টি’ সংসদ ভবন এলাকায় শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশের লাঠিচার্জ সরকার জনগণের নিরাপত্তায় ব্যর্থ, লক্ষণ খুব ভালো নয়: জামায়াত আমির সায়েন্সল্যাব ছেড়ে শিক্ষা বোর্ড অভিমুখে শিক্ষার্থীরা, পথে পুলিশি বাধা মার্কিন অত্যাধুনিক ‘লুকাস’ ড্রোন ভূপাতিত করলো ইরান লক্ষ্মীপুরে দাদাকে গুলি করায় নাতি গ্রেপ্তার

রাজশাহীর মতিহার থানার ইন্সপেক্টর পরিচয়ে প্রতারণা, বিকাশে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

রাজশাহী প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬
  • ১২ বার

রাজশাহীর মতিহার থানার একজন ইন্সপেক্টরের পরিচয় দিয়ে অভিযোগকারীদের ফোন করে আসামি ধরার খরচের কথা বলে বিকাশের মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা থানায় অভিযোগ দায়েরের পর তাদের ব্যক্তিগত তথ্য প্রতারকের কাছে কীভাবে পৌঁছালো,তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল ১১টা ৪৩ মিনিটের দিকে ০১৭৯৮-৯৫৫৯৯৩ নম্বর থেকে নগরীর মতিহার থানার বাজে কাজলা এলাকার বাসিন্দা মোঃ আকবর আলী (৭০), এর মোবাইলে ফোন আসে। ফোনকারী নিজেকে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) মতিহার থানার একজন ইন্সপেক্টর হিসেবে পরিচয় দিয়ে জানান, তিনি ১২ জুলাই থানায় একটি অভিযোগ করেছেন এবং আসামি ধরতে তেল খরচ বাবদ ২ হাজার ৫০০ টাকা প্রয়োজন।
আকবর আলী জানান, ফোনকারী তার নাম ও অভিযোগের তারিখ সঠিকভাবে বলায় তিনি সন্দেহ করেননি। পরে একটি বিকাশ এজেন্ট নম্বর (০১৭৮০-৫০৪০৮৪) থেকে প্রতারকের দেওয়া ০১৮৩৯-১৬২২৯৪ নম্বরে ২ হাজার ৫০০ টাকা পাঠান। কিছুক্ষণ পর একই ব্যক্তি আবার ফোন করে আরও ১ হাজার টাকা দাবি করেন। তখন আকবর আলী আর টাকা দিতে অপারগতার কথা জানান।
একই সময়ে মোছাঃ লিজা বেগমের কাছেও একই নম্বর থেকে ফোন করে নিজেকে মতিহার থানার ইন্সপেক্টর পরিচয় দিয়ে আসামি ধরার জন্য ১ হাজার টাকা দাবি করা হয়। তার নাম, ঠিকানা ও অভিযোগের তথ্য সঠিকভাবে বলায় তিনি সরল বিশ্বাসে ০১৭৭০-০৪৫৯৩১৪ নম্বরের একটি বিকাশ এজেন্টের মাধ্যমে প্রতারকের দেওয়া ০১৮৩৯-১৬২২৯৪ নম্বরে ১ হাজার টাকা পাঠান।
লিজা বেগমের দাবি, পরে মামলা রুজুর কথা বলে আরও ৭ হাজার টাকা দাবি করা হলে তিনি সন্দেহ করেন এবং প্রতারকের সঙ্গে হওয়া কথোপকথন ভিডিও করে রাখেন।
ভুক্তভোগী দুজন জানান, তারা রবিবার (১২ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টার দিকে মতিহার থানার ওসি (তদন্ত) ও সেকেন্ড অফিসারের কাছে পৃথক অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। তাদের প্রশ্ন, থানায় অভিযোগ দেওয়ার পরপরই প্রতারক কীভাবে তাদের নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করল।
এ বিষয়ে মতিহার থানার সেকেন্ড অফিসার রিপন সরকার বলেন, যে ব্যক্তি আমাদের থানার ইন্সপেক্টর পরিচয়ে টাকা নিয়েছে, ওই নাম বা মোবাইল নম্বরের কোনো কর্মকর্তা আমাদের থানায় নেই।
মতিহার থানার ওসি (তদন্ত) নুরে আলম সিদ্দিকী বলেন, আমি অভিযোগকারীদের তদন্তকারী কর্মকর্তার নাম ও মোবাইল নম্বর দিয়েছি। এরপরও যদি কেউ অন্য কাউকে বিকাশে টাকা দিয়ে থাকেন, সেটি তাদের বিষয়। তবে অভিযোগকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য প্রতারকের কাছে কীভাবে পৌঁছেছে? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি কীভাবে বলব?
এ ঘটনায় থানায় তথ্য ফাঁসের অভিযোগ উঠলেও বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories