শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ১১:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জন্মশহরে চিরনিদ্রায় শায়িত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল যাচাই-বাছাই শেষে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার সুপারিশ পুরান ঢাকায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, নিহত-১ টানা বৃষ্টিতে সুনামগঞ্জে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত সেনাবাহিনীর সহায়তায় সাজেক ছাড়লেন আরও ৩১১ পর্যটক জনশক্তি রপ্তানিতে আলজেরিয়ার সঙ্গে যৌথ পরামর্শক কমিশন গঠনের উদ্যোগকে স্বাগত পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সারিয়াকান্দি’ ও ‘ধুনট’ নামে দুটি নতুন নদী বন্দর ঘোষণা করেছে সরকার চট্টগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীরের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্কের চাপে বাংলাদেশের রপ্তানি খাত: এডিবির সতর্কতা মাহাথির মোহাম্মদের ১০১তম জন্মদিনে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্কের চাপে বাংলাদেশের রপ্তানি খাত: এডিবির সতর্কতা

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬
  • ৬ বার

যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য আইনের ৩০১ ধারার আওতায় নতুন করে বাড়তি শুল্ক আরোপের প্রস্তুতি বাংলাদেশের রপ্তানি খাতের জন্য বড় ধরনের উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) তাদের সাম্প্রতিক প্রতিবেদন ‘এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক, জুলাই ২০২৬’-এ এমনটিই জানিয়েছে। সংস্থাটির মতে, এই পদক্ষেপ শুধু বাণিজ্য ব্যয়ই বাড়াবে না, বরং পুরো এশীয় অঞ্চলের অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী অনিশ্চয়তা তৈরি করবে।
এডিবির বিশ্লেষণ অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রস্তাবিত শুল্ক কার্যকর হলে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর কার্যকর শুল্কহার ১.২ শতাংশ পয়েন্ট বেড়ে যেতে পারে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ও অন্যান্য রপ্তানি পণ্যের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা কমে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী, যেসব দেশে জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগ রয়েছে, সেগুলোর ওপর অতিরিক্ত ১০ থেকে ১২.৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের সম্ভাবনা রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধির দপ্তর (ইউএসটিআর) মূলত দুটি বিশেষ পর্যালোচনার ভিত্তিতে এই শুল্ক আরোপের পথে হাঁটছে:
১. জোরপূর্বক শ্রমের ব্যবহার: বাংলাদেশসহ ৫৪টি দেশকে জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ ও তা কার্যকর করতে ব্যর্থ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
২. ৩০১ ধারার আওতায় পর্যালোচনা: এই ধারার অধীনে বাংলাদেশ, ভারত, চীন, জাপান ও ভিয়েতনামসহ ৬০টি দেশের ওপর শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে।
এডিবির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যদিও চলতি বছরের শুরুতে বাণিজ্যনীতি নিয়ে কিছুটা স্থিতিশীলতার লক্ষণ দেখা গিয়েছিল, তবে ইউএসটিআরের সাম্প্রতিক এই তদন্ত ও শুল্ক আরোপের উদ্যোগ পরিস্থিতিকে আবারও জটিল করে তুলেছে। শুল্কের এই নতুন পরিধি, মাত্রা এবং কার্যকর হওয়ার সময় নিয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো দিকনির্দেশনা না থাকায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগের মাত্রা বাড়ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এডিবি’র এই সতর্কবার্তা বাংলাদেশের নীতিনির্ধারকদের জন্য একটি বড় সংকেত। রপ্তানি খাতের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে হলে এবং যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা বা সহজ বাণিজ্য পরিবেশ বজায় রাখতে হলে এখন থেকেই কার্যকর শ্রম আইন ও কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করার দিকে সরকারকে বিশেষ নজর দিতে হবে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories