শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৩:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ধর্ষন মামলার অভিযুক্তকে গ্রেফতারের দাবীতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ টঙ্গীতে মাদক সম্রাজ্ঞী কারিমা গ্রেপ্তার ফ্যাসিস্ট সরকারের অপশাসন-দুর্নীতির জঞ্জাল দূর করার দায়িত্ব নিয়েছে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তুলতে সরকারের পাশাপাশি নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য : মীর শাহে আলম হোয়াটসঅ্যাপে চ্যাট ব্যাকআপ বা রিস্টোর হচ্ছে না? সহজেই সমাধান করবেন যেভাবে চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে : আন্তঃশিক্ষা বোর্ড টানা বৃষ্টিতে বেড়েছে অধিকাংশ সবজির দাম চোখে সংক্রমণে আক্রান্ত রণবীর কাপুর, ‘রামায়ণ’-এর ট্রেলার উন্মোচনে থাকতে পারেন কালো চশমায় এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশকে ইইউ ও জি৭৭-এর সমর্থন পুনর্ব্যক্ত বন্যার্তদের পুনর্বাসন না হওয়া পর্যন্ত পাশে থাকবে সরকার: অর্থমন্ত্রী

হোয়াটসঅ্যাপে বিনিয়োগ ফাঁদ: ৮৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গ্রেপ্তার ২

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩৬ বার

স্বল্পসময়ে উচ্চমুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে একটি ভুয়া কোম্পানির নামে অভিনব কৌশলে প্রায় ৮৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে প্রতারক চক্রের ২ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)’র সাইবার পুলিশ সেন্টার (সিপিসি) ইউনিট।সালেহ আহমেদ নামে এক ভুক্তভোগীর মামলার প্রেক্ষিতে বুধবার (৮ এপিল) দিনাজপুর জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন দিনাজপুর জেলার বিরামপুর থানার নিশিবাপুর গ্রামের মো. কায়েম উদ্দিনের ছেলে মো. মাসুম রানা (৩৮) এবং দিনাজপুর জেলার বিরামপুর থানার উত্তর কাটলা গ্রামের মো. আলিমুদ্দীনের ছেলে মো. শামীম আক্তার (৩৬)।
প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, নারায়ণগঞ্জে বিআইডব্লিউটিএতে কর্মরত সালেহ আহাম্মদ খান হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে প্রতারক চক্রের সঙ্গে পরিচিত হন। প্রতারকরা ‘ড্রিমপায়ারিং এমসিএস লিমিটেড’ নামে একটি ভুয়া কোম্পানির পরিচয়ে উচ্চমুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে তাকে বিনিয়োগে উদ্বুদ্ধ করে এবং হোয়াটসঅ্যাপে একটি ভুয়া চুক্তিপত্র পাঠায়।
পরবর্তীতে ভুক্তভোগী সালেহ আহমেদ সরল বিশ্বাসে নিজের সঞ্চয়, অফিসের অর্থ এবং স্ত্রীর স্বর্ণ বন্ধক রেখে নগদ, বিকাশ ও ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে মোট ৮৫ লাখ ৮৭ হাজার ৪০০ টাকা আসামিদের নিকট প্রদান করেন এবং প্রতারকরা মাসিক উচ্চলভ্যাংশ প্রদানের আশ্বাস দিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করে।
অর্থ আত্মসাতের পর সালেহ আহমেদ আসামিদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা বিভিন্ন সময় ভিন্ন ভিন্ন ঠিকানায় যেতে বলে বিভ্রান্ত করে। একপর্যায়ে ঢাকার সেগুনবাগিচায় তাদের দেয়া ঠিকানায় গিয়ে তিনি নিশ্চিত হন যে, ওই প্রতিষ্ঠানের কোনো অস্তিত্ব নেই এবং কোম্পানিটি সম্পূর্ণ ভুয়া। পরবর্তীতে তিনি নারায়ণগঞ্জ সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।
সিআইডি জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতদের আইনানুগ প্রক্রিয়ায় আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে এবং প্রতারক চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories