মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসিতে জামায়াতের ৯ দফা দাবি শুধু বহুদলীয় গণতন্ত্রই নয়, সংসদীয় গণতন্ত্রও বিএনপির হাত ধরে এসেছে: প্রধানমন্ত্রী বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বাবা-মায়ের কবরে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা সরকার বসে নেই, দ্রুত সব সংকটের সমাধান হবে: রিজভী নবম জাতীয় বেতন স্কেল ১ জুলাই থেকে কার্যকর : নাসিমুল গনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবকে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের ফুলেল শুভেচ্ছা শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালে দুর্ঘটনায় বিমানবাহিনীর ৩ সদস্য নিহত বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক অতীতে আটকে থাকার সুযোগ নেই: দীনেশ ত্রিবেদী আগামী রমজানের সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ মমতা ব্যনার্জির ভাইঝির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

হোয়াটসঅ্যাপে বিনিয়োগ ফাঁদ: ৮৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গ্রেপ্তার ২

অনলাইন ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৪৭ বার

স্বল্পসময়ে উচ্চমুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে একটি ভুয়া কোম্পানির নামে অভিনব কৌশলে প্রায় ৮৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে প্রতারক চক্রের ২ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)’র সাইবার পুলিশ সেন্টার (সিপিসি) ইউনিট।সালেহ আহমেদ নামে এক ভুক্তভোগীর মামলার প্রেক্ষিতে বুধবার (৮ এপিল) দিনাজপুর জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন দিনাজপুর জেলার বিরামপুর থানার নিশিবাপুর গ্রামের মো. কায়েম উদ্দিনের ছেলে মো. মাসুম রানা (৩৮) এবং দিনাজপুর জেলার বিরামপুর থানার উত্তর কাটলা গ্রামের মো. আলিমুদ্দীনের ছেলে মো. শামীম আক্তার (৩৬)।
প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, নারায়ণগঞ্জে বিআইডব্লিউটিএতে কর্মরত সালেহ আহাম্মদ খান হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে প্রতারক চক্রের সঙ্গে পরিচিত হন। প্রতারকরা ‘ড্রিমপায়ারিং এমসিএস লিমিটেড’ নামে একটি ভুয়া কোম্পানির পরিচয়ে উচ্চমুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে তাকে বিনিয়োগে উদ্বুদ্ধ করে এবং হোয়াটসঅ্যাপে একটি ভুয়া চুক্তিপত্র পাঠায়।
পরবর্তীতে ভুক্তভোগী সালেহ আহমেদ সরল বিশ্বাসে নিজের সঞ্চয়, অফিসের অর্থ এবং স্ত্রীর স্বর্ণ বন্ধক রেখে নগদ, বিকাশ ও ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে মোট ৮৫ লাখ ৮৭ হাজার ৪০০ টাকা আসামিদের নিকট প্রদান করেন এবং প্রতারকরা মাসিক উচ্চলভ্যাংশ প্রদানের আশ্বাস দিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করে।
অর্থ আত্মসাতের পর সালেহ আহমেদ আসামিদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা বিভিন্ন সময় ভিন্ন ভিন্ন ঠিকানায় যেতে বলে বিভ্রান্ত করে। একপর্যায়ে ঢাকার সেগুনবাগিচায় তাদের দেয়া ঠিকানায় গিয়ে তিনি নিশ্চিত হন যে, ওই প্রতিষ্ঠানের কোনো অস্তিত্ব নেই এবং কোম্পানিটি সম্পূর্ণ ভুয়া। পরবর্তীতে তিনি নারায়ণগঞ্জ সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।
সিআইডি জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতদের আইনানুগ প্রক্রিয়ায় আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে এবং প্রতারক চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

আমাদের সাথেই থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর

Categories